Aaj India Desk, কলকাতা: নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরসভার নথিতে দেখা গিয়েছে, অভিষেকের একটি ফ্ল্যাটের যৌথ মালিক হিসেবে সায়নী ঘোষ (Sayani Ghosh) নামও রয়েছে। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, এই সায়নী ঘোষ কি তৃণমূল (TMC) সাংসদ সায়নী ঘোষ, নাকি অন্য কেউ?
কলকাতা পুরসভার তালিকা অনুযায়ী, ১৯ ডি সেভেন ট্যাঙ্ক রোডের একটি ফ্ল্যাটের মালিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই একই নথিতে যৌথ মালিক হিসেবে সায়নী ঘোষের নামও উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যেই গত সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৭টি সম্পত্তিতে নোটিস পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা। আর গতকাল (মঙ্গলবার) ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের দুটি বাড়ির কিছু অংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, অভিষেকের দুটি বাড়ি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। একটি শান্তিনিকেতন বিল্ডিং এবং অন্যটি ১২১ কালীঘাট রোডের বাড়ি। কালীঘাট রোডের বাড়িটি তাঁর মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। অভিযোগ, এই দুই বাড়িতেই বেআইনি নির্মাণ করা হয়েছে। পুরসভার তরফে ৭ দিনের মধ্যে বেআইনি অংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ না হলে কারণ দর্শাতে হবে। প্রয়োজনে পুরসভা নিজেই সেই অংশ ভেঙে দিতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হলেও কলকাতা পুরসভা এখনও তৃণমূলের হাতেই রয়েছে। আর সেই পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দলের অন্দরেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার কালীঘাটে বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের দাবি, সেখানে মমতা প্রশ্ন তোলেন, মেয়র কিছু না জানলেও পুরসভা থেকে কীভাবে অভিষেককে নোটিস পাঠানো হল। বৈঠকে অভিষেকও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক চাপে তিনি পিছিয়ে যাবেন না। বাড়ি ভাঙা হোক বা নোটিস পাঠানো হোক, কোনও কিছুর কাছেই তিনি মাথা নত করবেন না। বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই চলবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


