Aaj India desk, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেছে। তবু তালিকার বাইরে রয়েছে প্রায় ২৭ লক্ষ ভোটার। এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম ওঠেনি তাদের। ট্রাইব্যুনালে বিচারও হয়নি। প্রায় ১২% ভোটার বাদ যাওয়ার পরে প্রশ্ন উঠেছে মাত্র ৭% এর ব্যবধানে জয়ী হওয়া সরকারের বৈধতা নিয়েও। তবুও ভোটের পরে তাঁদের কথা কোনো রাজনৈতিক দলের মুখে শোনা যায়নি। সামনে রয়েছে পুর ভোট, তার আগে ভোট দিতে পারবেন কিনা এ নিয়ে সংশয়ে আছেন এই ভোটাররা। এবার তাঁদের হয়েই পথে নামলেন আইএসএফ প্রধান নওসাদ সিদ্দিকি (Naushad Siddiqui)।
কোথায় গেলেন তিনি?
আজ কলকাতার শিয়ালদা থেকে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে ভাঙ্গরের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি (Naushad Siddiqui) নির্বাচন কমিশনের অফিসে যান। তাঁর মূল দাবি ছিল,নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তালিকার পর প্রায় ২৭ লক্ষ নাগরিকের নাম “বিবেচনাধীন” বা ট্রাইব্যুনালে আটকে রয়েছে। তাঁদের যেন দ্রুত ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হয়। নওশাদের অভিযোগ, “বহু বৈধ নাগরিককে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই তালিকা থেকে বাদ বা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।এই জটিল পরিস্থিতি সমাধানের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আমি একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার আবেদন করছি।” তবে কোনো বিশেষ ধর্মের হয়ে তিনি পথে নামেননি বলেই জানান নওশাদ সিদ্দিকি।
কোন জেলায় কতজন বাইরে?
রিপোর্ট অনুযায়ী, এস আই আর প্রক্রিয়ায় জেলাভিত্তিক নাম বাদ পড়ার তালিকায় একদম উপরে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। তার পরেই উত্তর ২৪ পরগনা , সেখানে প্রায় ২ লক্ষের বেশি নাম বাদ গেছে। পূর্ব বর্ধমান, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং মালদহে প্রায় ১ লক্ষের বেশি নাম বাদ গেছে।
এর মধ্যে প্রায় ১৭ লক্ষ হিন্দু এবং ১০ লক্ষ মুসলিম নাগরিক রয়েছেন। নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui)স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতে তাঁরা এই আন্দোলনকে আগামী দিনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল যেখানে নিজেদের দূর্নীতি সামলাতে ব্যস্ত সেখানে আই এস এফের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে রাজনৈতিক মহল।


