Aaj India desk, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আগামীকাল। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী গতকাল থেকে প্রচার বন্ধ করেছে সব দল। তবুও বিজেপির(BJP) বিরুদ্ধে পড়শি দেশ বাংলাদেশের ঘটনা টেনে সমাজমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক হিংসা প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তির আড়ালে আসলে তারা দ্বিচারিতা করছে, উঠেছে সেই প্রশ্নও।
ঘটনার সূত্রপাত
আজ সকালে বিজেপির এক্স হ্যান্ডেল (পূর্বতন টুইটার) থেকে একটি পোস্ট করা হয়। পোস্টের বক্তব্য,”বাংলাদেশে মাত্র ৩৫ দিনের ব্যবধানে হিন্দুদের পিটিয়ে, জীবন্ত পুড়িয়ে, গুলি করে, গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।গত বছর মুর্শিদাবাদেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল, যখন ইসলামপন্থী জনতা বিনা উস্কানিতে হিন্দুদের বাড়িতে হামলা করেছিল।২৯ তারিখে, পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ হওয়া থেকে বাঁচানোর সুযোগ আপনার! ২৯ তারিখে, বিজেপিকেভোটদিন।”
পোস্টটি সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।নিবার্চনের আগের দিন এমন পোস্ট করা যায় কিনা সেই প্রশ্ন তো উঠছেই পাশাপাশি ওই পোস্টেই বিজেপিশাসিত (BJP) আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার একটি ভিডিও টেনে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপির(BJP) মুসলিম বিরোধিতা কি কেবল দেখনদারি, ব্যবসায়িক স্বার্থ আসলেই তাদের অন্য রূপ?
কি আছে ভিডিওতে
ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে যে বিজেপিশাসিত(BJP) আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলছেন,”মুসলিমরা তো গোমাংস খেতেই পারে।আসামে অনেক মুসলিম আছে আমরা তো তাদের গোমাংস খেতে না করি না।” এই হিমন্ত বিশ্ব শর্মাই পশ্চিমবঙ্গে এসে মুসলিম বিতরণের কথা বলেছিলেন ছড়িয়েছিলেন সাম্প্রদায়িকতার বিষ। সেই শর্মার এ হেন মন্তব্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই প্রসঙ্গেই সামনে এসেছে গোমাংস রফতানির জন্য ভারতের সবচেয়ে বড় গো মাংস রফতানিকারক সংস্থা আল্যানা গ্রুপের বিজেপিকে প্রায় ৩০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার কথা। নির্বাচন কমিশনের খবর ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষেই এত টাকা পেয়েছে তারা। রাজনৈতিক মহলের দাবী বিজেপি(BJP)আসলে দ্বিচারিতা করছে। তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ায়,কিন্তু অনুদান বা ব্যবসার কথা আসলেই তাদের আসল রূপ বেরিয়ে পরে। আসলে বিজেপি(BJP) ব্যবসায়ী ছাড়া কিছু নয় এবং হিন্দুত্ববাদ বা ধর্মকে তারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতেই ব্যবহার কর।


