33 C
Kolkata
Tuesday, April 28, 2026
spot_img

সাইলেন্স পিরিয়ডেও ভোটের প্রচার ! কী বলছে আইন ? 

Aaj India Desk, কলকাতা : আগামীকাল, ২৯ শে এপ্রিল, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট। রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা সপ্তমে থাকলেও MCC-এর নিয়ম মেনে প্রচার (Campaign) বন্ধ করার কথা রাজনৈতিক দলগুলির। অথচ সকালে খবরের কাগজ খুলতেই সাধারণ মানুষের চোখে পড়ছে পূর্ণ পাতা জুড়ে বিশেষ রাজনৈতিক দলের ভোটের বিজ্ঞাপন।

নীরবতা পর্ব চলাকালীন মঙ্গলবার সকালে রাজ্যের বেশ কিছু দৈনিক সংবাদপত্রে বিজেপির পূর্ণ পাতা জুড়ে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। আগামীকাল ভোটের প্রেক্ষিতে এই বিজ্ঞাপনগুলির বৈধতা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর তরজা।

Representation of the People Act, 1951-এর ১২৬ নং ধারা অনুযায়ী, ভোটারদের শান্তিতে ভাবনা চিন্তা করতে দেওয়ার জন্য ও জনমত প্রভাবিত না করার জন্য ৪৮ ঘণ্টার নীরবতার সময়কালে কোনো ধরনের জনসভা, মিছিল, পদযাত্রা এবং টেলিভিশন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্বাচনী প্রচার (Campaign) নিষিদ্ধ। কিন্তু প্রিন্ট মিডিয়াকে এই ধারার আওতায় সরাসরি আনা হয়নি। ফলে টিভি-ফেসবুকে অ্যাড বন্ধ হলেও কাগজে চলতে পারে।

পাশাপাশি আগাম অনুমোদনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলিকে অন্তত দু’দিন আগে ছাপানো বিজ্ঞাপন প্রকাশ করার আবেদন করতে হয়। ফলে, আজকে সংবাদপত্রে ভোটের বিজ্ঞাপন প্রকাশ হলেও আইনে তা আটকায় না। ধনী রাজনৈতিক দলগুলি এই আইনের ফাঁকের সুযোগ নিয়ে নীরবতা পর্ব চলাকালীনও নিজেদের প্রচার (Campaign) চালিয়ে যায়। রাজনীতির ময়দানে ক্ষমতার হাতছানির সামনে মূল্যবোধ বা নৈতিকতা ভেঙে পড়ে।

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ করতে প্রয়োজন নির্বাচনী আইনের সংস্কার। বর্তমান কাঠামো, বিশেষ করে Representation of the People Act, 1951, বহু ক্ষেত্রে যুগোপযোগী নয়। ডিজিটাল প্রচার, সোশ্যাল মিডিয়া, এবং প্রিন্ট মিডিয়ার মতো ক্ষেত্রগুলিতে রয়ে গেছে অসামঞ্জস্য। নীরবতা পর্বে বিভিন্ন মাধ্যমের জন্য ভিন্ন নিয়ম নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। তাই সব ধরনের মিডিয়াকে একসঙ্গে এনে স্পষ্ট ও কঠোর বিধি প্রণয়ন, “পেইড নিউজ” ও সাইলেন্স পিরিয়ডে প্রচারের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন