কলকাতা: বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া কমিশনের (Election Commission) আঁটসাঁট নিরাপত্তা বলয়ে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে দুই দফার ভোটগ্রহণ। কিন্তু এখনই শিথিল হচ্ছে না কড়াকড়ি নিয়ম। আগামী ৪ মে ফলাফল। তারপরও রাজ্যে টহল দেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সাঁজোয়া গাড়ি। তৎপর থাকবে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা NIA। এখানেই শেষ নয়। গণনার দিন গণনা কেন্দ্রেও নতুন নিয়মাবলী জারি করল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার কমিশনের (Election Commission) বিজ্ঞপ্তিতে গণনা কেন্দ্রের জন্য একগুচ্ছ নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
X Link: https://x.com/ECISVEEP/status/2049806809628881381
কি বলা হল বিজ্ঞপ্তিতে?
- গণনাকেন্দ্রে অননুমোদিত প্রবেশ রুখতে QR কোডভিত্তিক ফটো আইডি চালু করল নির্বাচন কমিশন
- ৪ মে ২০২৬ থেকে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট ও উপনির্বাচনে এই ব্যবস্থা কার্যকর
- ভবিষ্যতের লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে ধাপে ধাপে চালু হবে এই সিস্টেম
- গত এক বছরে কমিশনের নেওয়া ৩০টিরও বেশি সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এই পদক্ষেপ
- গণনাকেন্দ্রে পরিচয় যাচাইয়ে তিনস্তরের নিরাপত্তা বলয়: শেষ ধাপে বাধ্যতামূলক QR স্ক্যান
- RO, ARO, কর্মী, প্রার্থী, এজেন্টসহ অনুমোদিত ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য নতুন আইডি
- প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে মিডিয়া সেন্টার থাকবে, অনুমোদিত সাংবাদিকদের প্রবেশ বজায় থাকবে
- নির্বিঘ্ন বাস্তবায়নে জেলা ও রিটার্নিং অফিসারদের বিশেষ নির্দেশ
- স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশ জারি কমিশনের
উল্লেখ্য, চলতি বিধানসভা ভোটে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তৎপরতা ও আঁটসাঁট নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একাধিকবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল। এমনকি রাজ্যে ‘জরুরী অবস্থার মোট পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে কমিশন’, বলেও তোপ দেগেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল অর্থাৎ বুধবার ভোট দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও তোপ দেগে বলেন, “রাফাল, যুদ্ধবিমান নামানো বাকি আছে!”
অন্যদিকে, কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য, এবারের বিধানসভা ভোটে কোনওরকমের অশান্তি বরদাস্ত করবে না কমিশন (Election Commission) । পাশাপাশি একাধিক বুথে কারচুপির অভিযোগের সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। এখন অপেক্ষা ৪ মে, ফলাফলের দিনের।


