Aaj India Desk, কলকাতা : সম্প্রতি কলকাতা পুরসভার একটি নথি সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। সেখানে দাবি করা হয় যে অভিষেক ব্যানার্জি এবং সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh) নাকি যৌথভাবে কলকাতার “১৯ ডি, সেভেন ট্যাঙ্কস রোড, কলকাতা–৭০০০৩০” ঠিকানায় একটি সম্পত্তির মালিক। এর পর থেকেই নানা ইঙ্গিতপূর্ণ জল্পনা ছড়াতে শুরু করে। এই সায়নী ঘোষ তৃনমূলের ‘সায়নী ঘোষ’ নাকি অন্য কেউ তা নিয়ে শুরু হয় জোর চর্চা। তবে এই জল্পনা এবার সরাসরি খারিজ করেন তৃনমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ।
আইনি লড়াইয়ের তোপ সায়নীর
সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh) পোস্টে লেখেন, তিনি নিশ্চিতভাবে বলতে পারেন, ওই সম্পত্তির সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। পাশাপাশি তিনি জানান, তাঁর সমস্ত সম্পত্তির তথ্য নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখ করা রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ তা যাচাই করে দেখতে পারেন। সায়নীর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর নাম জড়িয়ে “ভুয়ো তথ্য” ছড়ানো হচ্ছে। তাই তিনি স্পষ্টভাবে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সায়নীর পোস্ট : https://x.com/i/status/2056975152035013041
পোস্টে সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh) স্পষ্ট ভাষায় জানান, “আমি এক ইঞ্চিও পিছোব না। ভয় দেখিয়ে চুপ করানো যাবে না।” নিজের পদবিকে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, “এই ‘ঘোষ’ কাউকে ভয় পায় না।”
নতুন বিতর্কে চাপে অভিষেক
উল্লেখ্য, গতকালই অভিষেক ব্যানার্জিকে ১৭ টি ঠিকানায় অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার নোটিস পাঠায় কলকাতা পুরসভা। সেই ঠিকানা ও সম্পত্তির মালিকানার নাম সামনে আসতেই শুরু হয় এই জল্পনা। সায়নী ঘোষ ছাড়া অভিষেক ব্যানার্জির নিজের নামে ৪ টি সম্পত্তি, বাবার নামে ৬ টি সম্পত্তি, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ কোম্পানির নামে ১৪টি সম্পত্তি নথিভুক্ত ছিল। পুরসভার নোটিস অনুযায়ী ৭ দিনের মধ্যে সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে যথাযথ নথি, বাড়ির অনুমোদন পত্র ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জমা দিতে হবে অভিষেককে। এই গ্যাঁড়াকলে ফেঁসে একদিকে যখন নাজেহাল তৃনমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তখনই অন্যদিকে সায়নীর সাথে নাম জড়িয়ে ফের নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন তিনি। এবার সায়নী ও অভিষেকের আগামী পদক্ষেপ কী হয় সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


