Aaj India desk, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (west bengal assembly election 2026)ফল ঘোষণার আগেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। গতকাল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কর্মী ও প্রার্থীদের সতর্ক থাকার কথা বলে ভিডিও বার্তা দেন। এর পরেই তৃণমূল থেকে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামের স্ট্ররুম নিয়ে এক সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে অভিযোগ করে তাদের না জানিয়েই ইভিএম (EVM) নয়ছয় করা হচ্ছে। এরপর ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র, সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল সহ বিভিন্ন জায়গায় ধর্নায় বসেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
কিন্তু সত্যিটা কি?
এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে জানালেন নির্বাচন কমিশনের সিইও মনোজ আগরওয়াল এবং ডিইও নর্থ স্মিতা পান্ডে। কি জানালেন তাঁরা? ডিইও নর্থ স্মিতা পান্ডে বলেন,”সমস্ত প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টদের উপস্থিতিতে কালকেই সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করে স্ট্রংরুম সিল করা হয়েছে সম্পূর্ণভাবে। সেই ছবি বাইরে থেকে দেখাও যাচ্ছে। আজকে আমাদের ইভিএমের প্রথাগত বিধি মেনেই কাজ হচ্ছিল।”
ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি জানান,” ইভিএম (EVM) ছিল অন্য ঘরে। ইভিএম স্ট্রং রুম ছিল। বিধানসভা ধরে ধরে ইভিএম আলাদা করার কাজ চলছিল। অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসাররা সেই কাজ করছিলেন। নিয়ম অনুযায়ীই সব কাজ হচ্ছিল। আমরা সব রাজনৈতিক দলকে মেল করেছিলাম। সকাল ১০টায় মেল করা হয়েছে জেলা থেকে। সব প্রার্থী ও এজেন্টদের জানানো হয়েছে। না জানানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
শশী পাঁজা, কুণাল ঘোষেদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “শশী পাঁজা, কুণাল ঘোষও ছিলেন। সন্তোষ পাঠকের এজেন্ট এসেছিলেন। আমি নিজে ওনাদের নিয়ে গিয়ে দেখিয়েছি যে সব ঠিক আছে। সেটাও রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
গতকাল মমতার ভিডিও বার্তার পরেই তৃণমূলের এই সক্রিয়তা কি আসলে তার ষড়যন্ত্র তত্ত্বকেই মান্যতা দেওয়ার জন্য? এক্সিট পোলের হিসেব দেখেই কি ভীত হয়ে তাঁরা এমন করছেন যাতে ইভিএম (EVM) বদলে দেওয়ার অভিযোগে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলা যায় এবং হৃত সিংহাসন ধরে রাখার চেষ্টা করা যায়। প্রশ্ন তুলছে ওয়াকিবহাল মহল।


