Aaj India Desk, কলকাতা : বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় (Baruipur Rape Case) গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারে মৃত্যুর পর পুলিশের এহেন নাটকীয় তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুললো তৃণমূল। বুধবার তৃনমূল নেতা নীলাঞ্জন দাস দাবি করেন, প্রভাসই ছিলেন ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁর মৃত্যুর ফলে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হারিয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি, একটি ভাইরাল ভিডিওতে বারবার উঠে আসা ‘রাজা’ নামের ব্যক্তিকে ঘিরেও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত একটি পোস্টে তৃণমূল দাবি করে, তদন্তের শুরুতে প্রভাস মণ্ডলই পুলিশকে জানিয়েছিলেন যে নিহত নাবালিকার দেহ একটি বস্তার মধ্যে ভরে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয় বলে দাবি করা হয়েছে। (Baruipur Rape Case)
পাশাপাশি সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আটক অভিযুক্তদের সঙ্গে পুলিশের কথোপকথনের সময় বারবার ‘রাজা’ নামে এক ব্যক্তির উল্লেখ করা হচ্ছে। এই ‘রাজা’ কে? কেন এখনও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি? এই ব্যক্তি তদন্তে কী ভূমিকা রেখেছেন, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলেও দাবি করেছে তৃনমূল। (Baruipur Rape Case)
এরই মধ্যে প্রভাস মণ্ডলের পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যুর খবর সামনে আসার পর নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃনমূল নেতা নীলাঞ্জন দাসের বক্তব্য, যদি প্রভাস সত্যিই তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যক্ষদর্শী হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর মৃত্যু তদন্তের পূর্ণাঙ্গ সত্য উদঘাটনের ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য অন্য কোনও অভিযুক্তের ভূমিকা আদৌ সামনে আসবে কি না।
বর্তমানে পুলিশ বারুইপুর কাণ্ডের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই প্রশ্নগুলির উত্তর মিলবে কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে।


