Aaj India Desk, কলকাতা : বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের তদন্তে (Baruipur Rape Case) মঙ্গলবার গভীর রাতে নাটকীয় মোড়। ঘটনাস্থল পুনর্গঠনের সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয় এক অভিযুক্তের। একই রাতে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা চতুর্থ অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঘটনাস্থল পুনর্গঠনের সময় কী ঘটল?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে এক অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় ঘটনাস্থল পুনর্গঠন (রেকনস্ট্রাকশন) করা হচ্ছিল। রাত প্রায় ২টা ২০ মিনিট নাগাদ অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করে। সেই সময় সেই অভিযুক্ত কর্তব্যরত এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায় বলে পুলিশের দাবি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। (Baruipur Rape Case)
গুলিবিদ্ধ অভিযুক্তকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রের দাবি, ঘটনাদিনে ওই অভিযুক্তকে নির্যাতিতার সঙ্গে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল। তদন্তের স্বার্থেই তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে অপরাধের বিভিন্ন পর্যায় পুনর্গঠন করা হচ্ছিল। (Baruipur Rape Case)
তদন্তকারী সূত্রের দাবি, অভিযুক্তের দেখানো পথ অনুসরণ করেই রেললাইনের পাশের একটি পুকুর থেকে নির্যাতিতার দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছিল তদন্তকারী দল। পুনর্গঠনের সময়ও সেই সমস্ত তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছিল।
চার অভিযুক্তই পুলিশের জালে
এদিকে, এই মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক থাকা চতুর্থ অভিযুক্তকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফলে ধর্ষণ ও খুন মামলার মূল চার অভিযুক্তই এখন পুলিশের হেফাজতে। তদন্তকারীরা প্রত্যেকের ভূমিকা এবং ঘটনার পূর্ণ ক্রম নির্ধারণের চেষ্টা করছেন।
বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা প্রথম থেকেই রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তদন্তের অগ্রগতির মধ্যে এবার এক অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনা এবং চতুর্থ অভিযুক্তের গ্রেফতার মামলাটির তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।


