কলকাতা: বারুইপুরে নাবালিকা গণধর্ষণ-খুনের ঘটনায় নাটকীয় মোড়! একেবারে ফিল্মি কায়দায় মঙ্গলবার রাতে এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের (Prabhas Mondal)। বুধবার সকালে পুলিশ প্রভাসের বাড়িতে মৃত্যুসংবাদ পাঠায়। স্বামীর মৃত্যুর খবরে কান্না নয়, বরং ক্ষোভই উগরে দিলেন প্রভাসের স্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “ও বরাবরই নোংরা। তাই একাজ ও করেনি, এমন দাবি করতে পারব না। ও করতেই পারে। ও সব পারে। আমার বিয়ের পর কম অন্যায় করেনি। অত্যাচারও করেছে। সেই সব সহ্য করেই সংসার করেছি। দোষ করেছে, তাই গুলি খেয়েছে।”
পাশাপাশি, প্রভাসের (Prabhas Mondal) মা-ও ছেলের পরিণতি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “যা হয়েছে, ঠিক হয়েছে।” প্রথমে পরিবারের পক্ষ থেকে দেহ নিতে অস্বীকৃতি জানানো হলেও পরে থানার তরফে যোগাযোগ করা হলে পরিবারের সদস্যরা দেহ গ্রহণের বিষয়ে এগিয়ে আসেন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, প্রভাসের মা ও স্ত্রী থানার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, বারুইপুরে নাবালিকা বহুচর্চিত ধর্ষণ ও খুন মামলার তদন্তে প্রথম থেকেই পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল (Prabhas Mondal)। তদন্তকারীদের দাবি, তাকে জেরা করেই মেলে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই উদ্ধার করা হয় নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ, যা গোটা ঘটনায় নতুন মোড় এনে দেয়।
পুলিশ সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাস্থল সূর্যপুরে প্রভাসকে (Prabhas Mondal) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য। অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই এক পুলিশকর্মীর বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে তদন্তকারী দলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় প্রভাস। এরপর পালানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাল্টা গুলি চালাতে বাধ্য হন পুলিশকর্মীরা।


