Aaj lndia Desk,কলকাতা: “বিধানসভা নির্বাচন”এই নির্বাচন ঘিরে সাধারণ মানুষের মনে ছিল অসংখ্য চাওয়া- পাওয়া, আশা- প্রত্যাশা,সব মিলিয়ে একসাথে বলতে গেলে নাটকীয় মোড় কম ছিল না গোটা নির্বাচন ঘিরে, কমিশনের সিদ্ধান্ত, তৃণমূলের অসন্তোষ ,সব শেষে বিজেপির জয় সব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে এখন চলছে অন্য এক নাটকীয় বিবর্তন।
পরিবর্তনের আশায় প্রত্যাবর্তন এই খেলায় অবশেষে জয়ী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বিজেপি । এবার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পালা , একদিকে পদত্যাগের পালা , অন্যদিকে শপথ গ্রহণ , আনুষ্ঠানিকভাবে দিন এখনই জানানো হয়নি , তবে আজ পদত্যাগের সম্ভাবনা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
জানেন কি Gen -Z কি বলছে?
“আমরা পরিবর্তন চেয়েছিলাম , চেয়েছিলাম পনেরো বছরের রাজনীতি ইতি হোক , আর যে কারণেই বিজেপিকে বেছে নিয়েছিলাম , এর মানে এটা না যে আমরা বিজেপিকে পছন্দ করি। আসল কারণ হলো তৃণমূল অপছন্দের , কার্য তো এই সময়ে দাঁড়িয়ে সিপিএমকে তোলা সম্ভব ছিল না , কাজেই হাতে একটা অপশনই পড়েছিল আর যে কারণে ইভিএম মেশিনে গিয়ে বিজেপির বোতাম চাপা ছাড়া অপশন ছিল না ” ঠিক এমনটাই দাবি করছে Gen-z এর একাংশ ।
Gen – z এর মধ্যে বামপন্থী চিন্তা ধারা ?
” আমি বামপন্থী , চিন্তা ধারায় যেমন আদর্শ আছে আমার কাজকর্মেও আদর্শ তা রাখবো, আমার দল তাই বলে , শূন্য হোক তবুও আমরা সৎ , টাকার অভাবে প্রচারে বেরোতে পারে না , তার মানে এই না যে আদর্শ দলের আদর্শ তুর্কিরা হারিয়ে গেছে , শূন্যটা একশো হবেই , শূন্য বলে অন্য একটি চিহ্ন গিয়ে ভোট দেবো এটা আমি মনে করি না , আমার একটা ভোট আমার বন্ধুর আর একটা ভোট , সব মিলিয়েই ১০০ হবে ” একাংশ এমনই দাবি রেখেছে।
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু ?
Aaj India তরফ থেকে এই প্রশ্ন gen -z কে করাই সরাসরি তাদের বক্তব্য “দেখুন রাজত্বে যে থাকবে শাসন তার চলবে , তবে শাসনের নামে শাসক দল গুলো এখন শোষণ বেশি করে , ১৫ বছর তো দেখলাম , আপাতত চাওয়া পাওয়া বলতে একটাই ভাতা কম চাকরি বেশি ,বাংলার মানুষ প্রমাণ করেছে ভাতাতে তারা সন্তুষ্ট না , সুতরাং চাকরি চাই , চাকরি যে দিতে পারেনি তার পরিবর্তন হয়েছে , আশা রাখবো এই সরকার ক্ষমতায় এলে চাকরিটা সময়মতো দেবে। সরকার কেও মাথায় রাখতে হবে , বাংলার মানুষ সব পারে , প্রতিশ্রুতির অন্যথা হলে বিদায়ের ঘণ্টা এর ও বাজবে ,শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঠিক কতটা ভালো সেটা শুরুতে কিভাবে বলবো , বছর দুই দেখা যাক তারপর তো বলা যাবে “।
সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখন সংশয় , পরিবর্তন তো হলো অবস্থার পরিবর্তন কি হবে? আপাতত এই প্রশ্নই থেকে যাচ্ছে, এখন দেখার সময় কি বলে।


