কলকাতা: দুদিন আগেই আদালতে ধাক্কা খেয়েছিল ভারতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। ফের সেই একই দাবি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল তারা। বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, অধ্যাপকদের পদমর্যাদা এবং তাঁদের বেতনের মাপকাঠির নিরিখে কেন তাঁদের বুথে প্রিসাইডিং অফিসার (Presiding Officers) হিসেবে পাঠানো হচ্ছে? এই সিদ্ধান্তের সপক্ষে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) কোনও জোরালো বা সদুত্তর আদালতে দিতে পারেনি। ফলে সহকারী অধ্যাপক পদমর্যাদার আধিকারিকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের যে বিজ্ঞপ্তি কমিশন জারি করেছিল, বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চ গত শুক্রবার তা খারিজ করে দেয়।
ফের আদালতে কমিশন?
ছাব্বিশের নির্বাচনের প্রস্তুতির মাঝপথে ভোটকর্মী নিয়োগ নিয়ে এই ঘটনা ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের ( ECI) কাছে ছিল বড়সড় ধাক্কা । বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের সিঙ্গেল বেঞ্চের দেওয়া এই স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল নির্বাচন কমিশন। বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর আদালত ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের ( ECI) আবেদন গ্রহণ করেছে । মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।
মামলা কোন পথে?
ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের ( ECI) বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে নিজেদেরই বিজ্ঞপ্তির বিরোধিতা করার ।
গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে মামলার শুনানি হয়। ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) উদ্দেশে বিচারপতি রাও প্রশ্ন করেন , “আপনারা যখন যেমন খুশি বিজ্ঞপ্তি দেবেন? আমি কোনও রসিকতা করছি না। আপনাদের বিজ্ঞপ্তি যা বলছে, তাতে এবার বিচারপতিদের পোলিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ করুন। কোনও অসুবিধা নেই। আমাদের নিয়োগ করুন। আমরা পোলিং অফিসার হিসেবে বুথে ডিউটি করতে যাব। আপনারা নিজেদের যখন খুশি নিয়ম বদল করছেন। আপনাদের নিজেদের নথিই গড়মিলে ভরা।” কমিশনের যুক্তি, “একেবারে ভোটের মুখে মামলা করা হয়েছে। এখন নতুন করে লোক নিয়োগ করে ট্রেনিং দিয়ে ভোট করানো সম্ভব নয়।”


