উত্তর ২৪ পরগণা: দ্বিতীয় দফা ভোটে মাঝে বাকি ২ দিন। বিধানসভা নির্বাচনে মতুয়া (Matua) ভোট বড় ফ্যাক্টর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi), উভয়ই এই সম্প্রদায়ের ভোট টানতে মরিয়া। এই অন্তিম লগ্নে হাইভোল্টেজ প্রচার সারছেন মোদী (Narendra Modi)। রবিবার তিনি পৌঁছে যান মতুয়া-গড় ঠাকুরনগরে। সেখানে তিনি তাঁর বাংলাদেশের ওরাকান্দি সফরের স্মৃতিচারণ করেন।
২০২১-এ মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মভিটে ওড়াকান্দির হরিচাঁদ মন্দিরে পূজা দেন এবং মতুয়া প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন, বলে এদিনের সভায় উল্লেখ করেন মোদী (Narendra Modi)।
“শরণার্থী পরিবারের দায়িত্ব আমাদের”
শুধু ওরাকান্দির স্মৃতিচারণেই থেমে থাকেননি মোদী (Narendra Modi)। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, “জনসংঘ একসময় পূর্ব বাংলা থেকে বিতাড়িত শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। তখন তাদের হাতে ক্ষমতা না থাকলেও শরণার্থীদের কথা তারাই প্রথম জোরালোভাবে তুলে ধরেছিল। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে সেই সময় শরণার্থীদের মুখপাত্র হিসেবে দেখা হত, আর তাঁর সেই আদর্শই আজও আমাদের পথ দেখায়। আমরা মনে করি, প্রতিটি শরণার্থী পরিবারের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। আপনাদের সুখ-দুঃখের খোঁজ রাখা আমাদের কর্তব্য, আর সেই লক্ষ্যেই আমরা সিএএ আইন কার্যকর করেছি।”
বলা বাহুল্য, মতুয়া (Matua) সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরেই নাগরিকত্ব ও পরিচয় সংক্রান্ত সমস্যার সঙ্গে যুক্ত। ফলে নির্বাচনের আগে এই ইস্যুকে সামনে আনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে যখন দ্বিতীয় দফার ভোট ঘনিয়ে এসেছে, তখন এই ধরনের বক্তব্য ভোটারদের মনোভাব প্রভাবিত করার কৌশল হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।


