Aaj India Desk,কলকাতা: ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগে আবারও শিরোনামে দক্ষিণ দমদম পুরসভা। ২০২১ সালের ঘটনার মামলায় গ্রেফতার হলেন তৃণমূল কাউন্সিলর পার্থ ভার্মা। অভিযোগ, সুজিত বসু(Sujit Bose) ঘনিষ্ঠ এই জনপ্রতিনিধির নামও জড়িয়েছে ওই বিতর্কিত ঘটনায়। ঘটনাকে ঘিরে ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
দক্ষিণদাঁড়িতে দোকান দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে ফের উত্তপ্ত রাজনীতি। ওষুধের গুদাম ভেঙে সেখানে তৃণমূল পার্টি অফিস গড়ে তোলার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার কাউন্সিলর পার্থ ভার্মা, ওরফে টিঙ্কু। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
এর আগে বৃহস্পতিবারই একই মহলে গ্রেফতার হন আরেক তৃণমূল কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার। তোলাবাজি ও দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে একের পর এক গ্রেফতারিতে নতুন করে চাপে দল, রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনাও।বিধাননগর পুরসভায় একের পর এক গ্রেফতার। দেবরাজ চক্রবর্তী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সম্রাট বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তেঘরিয়ার বাসিন্দা এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও হুমকির একাধিক অভিযোগ রয়েছে।শুধু তাই নয়, গত এক সপ্তাহে বিধাননগর পুরসভা এলাকা থেকে মোট চারজন তৃণমূল কাউন্সিলর গ্রেফতার হয়েছে। সম্রাট বড়ুয়াকে ৬ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত।
সুজিত বসুর জামিনের আর্জি খারিজ করেছে আদালত। পাশাপাশি ২১ মে পর্যন্ত রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীকে ED হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোর্ট লকআপ থেকে বেরোনোর সময় তাঁকে ঘিরে চোর চোর স্লোগান ওঠে, যা নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায় আদালত চত্বরে।
ইডির অভিযোগ, দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রায় ১৫০ জনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে। জমি নেওয়ার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। পাশাপাশি শেল কোম্পানি, করোনা সময়ের আর্থিক লেনদেন এবং ঘনিষ্ঠদের বাড়ি থেকে পাওয়া নথি নিয়েও তদন্ত চলছে। আদালতে একাধিক তথ্য ও যুক্তি তুলে ধরে তাঁর হেফাজত চেয়েছে ইডি।


