নয়াদিল্লি: ২০২৫-এর শেষের দিকে ‘কোল্ডরিফ’ কাশির সিরাপ (Cough Syrup) প্রাণ কেড়েছিল তামিলনাড়ু, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, কেরল, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশের একাধিক শিশুর। তারপরে ওই সিরাপের বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সরকার। গত বছরের সেই মর্মান্তিক ঘটনা মাথায় রেখে এবার কাশির সিরাপ বিক্রি নিয়ে কড়া সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।
ড্রাগ আইন, ১৯৪৫-এর নতুন সংশোধনীর মাধ্যমে কাশির সিরাপ (Cough Syrup) কিনতে গেলে এবার থেকে দেখাতে হবে প্রেসক্রিপশন। এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রকাশিত একটি খসড়া প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের মতামত বিবেচনা করার পর ৯ জুন বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়েছে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে ‘ড্রাগস রুলস’-এর ‘শিডিউল কে’ (Schedule K)-তে তালিকাভুক্ত ওষুধের একটি শ্রেণি থেকে “সিরাপ” (Syrups) শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই সরাসরি কেনার (ওভার-দ্য-কাউন্টার) সুবিধা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং ওষুধগুলো কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আওতায় আসছে।
ভারতে সাধারণত প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যেসব কাশির সিরাপ (Cough Syrup), যেমন বেনাড্রিল, গ্লাইকোডিন, জেডেক্স, টাস্ক ডিএক্স, গ্রিলিনক্টাস, কফসিলস, হিমালয় কোফলেট এবং ডাবর হনিটাস পাওয়া যেত, সেগুলো এখন খুচরা ফার্মেসি থেকে কিনতে হলে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন থাকা বাধ্যতামূলক, বলে জানা গিয়েছে।


