কলকাতা: ১৮ এপ্রিল অর্থাৎ ঠিক দু-দিন আগেই রাজ্য সরকার-পোষিত স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া DA মেটানো নিয়ে নতুন আপডেট দিয়েছিল শিক্ষা দফতর। যেখানে বলা হয়েছিল, বকেয়া DA সংক্রান্ত চূড়ান্ত নথি বিকাশ ভবন থেকে নবান্নে পাঠানো হয়েছে। এখন নবান্নের অনুমোদনের অপেক্ষায় পরবর্তী পদক্ষেপ। তবে সোমবার ফের রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের ডিএ আটকে থাকার নতুন কারণ দর্শাল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।
এদিন তৃণমূলের তরফে সাংবাদিক বৈঠকে বলা হয়, “যেহেতু এখন আদর্শ নির্বাচন আচরণবিধি লাগু রয়েছে, তাই এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের প্রয়োজন। আমাদের অর্থদপ্তর সেই অনুমোদনের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিয়েছিল। কিন্তু সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ তৈরি করতে, আমাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে তাঁদের বিভ্রান্ত করতে এবং এই ডিএ বৃদ্ধি কার্যকর হবে না-এমন একটা মিথ্যে ধারণা তৈরি করতেই ইচ্ছাকৃতভাবে এই অনুমোদন দিতে দেরি করা হচ্ছে। এই পুরো ছকটাই কষা হয়েছে বিজেপিকে নির্বাচনে রাজনৈতিক সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে।”
X Link: https://x.com/AITCofficial/status/2046199435911389385
সেইসঙ্গে আরও বলা হয়, “আমরা একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই – ৪% ডিএ (DA) বৃদ্ধি কার্যকর করা হবেই। বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হবে। অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরকার একটুও সরবে না, এবং নির্বাচন কমিশনের কোনো রাজনৈতিক কারসাজি বা ষড়যন্ত্রই তা বদলাতে পারবে না।”
বলা বাহুল্য, গত ১৫ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার মাত্র এক ঘন্টা আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে সমাজমাধ্যমে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছিলেন, অর্থ মন্ত্রকের তরফে খুব শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে আদর্শ আচরণবিধি লাগু হয়ে যায়। আর এখন শাসকদলের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে দেরির অন্যতম কারণ হিসেবে আদর্শ আচরণ বিধিকেই দায়ী কড়া হচ্ছে, বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন রাকজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের একাংশ।


