Aaj India Desk, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বারুইপুরে (Baruipur Case) নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সামনে এসেছে ময়নাতদন্তের (Post Mortem) প্রাথমিক রিপোর্ট । সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের (Rape) ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি, নাবালিকার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্নও মিলেছে। প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, নাবালিকার মাথায় ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। মাথায় গভীর ক্ষত রয়েছে। এছাড়া গলা ও ঘাড়েও একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের দাগের পাশাপাশি যৌনাঙ্গেও গুরুতর ক্ষতের উল্লেখ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
রিপোর্টে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, নাবালিকার ফুসফুসে জল পাওয়া গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেউ যদি মৃত্যুর পরে জলে ফেলা হয়, তাহলে সাধারণত ফুসফুসে জল ঢোকে না। বরং জীবিত অবস্থায় জলে পড়লে বা ডুবে গেলে ফুসফুসে জল প্রবেশ করতে পারে। তাই তদন্তকারীদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, নির্যাতনের পর কি নাবালিকাকে জীবিত অবস্থাতেই জলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল?
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার পুরো সত্য জানার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে একটি সিসিটিভি ফুটেজও সামনে এসেছে। সেই ফুটেজে দেখা যায়, নীল রঙের টুপি পরা এক ব্যক্তি নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। তদন্তে ওই ফুটেজকে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।


