Aaj India Desk,কলকাতা: কলকাতা পুলিশের অন্দরমহলে একসময় তাঁর নামেই কাঁপত অনেকেই।কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি থেকে কলকাতা পুলিশের ডিসিপি ক্ষমতার সিঁড়ি দ্রুতই বাড়ছিল শান্তনু সিনহা বিশ্বাস (Shantanu Sinha Biswas)। কিন্তু সেই দাপটই আজ যেন তাঁর বিরুদ্ধে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর মুর্শিদাবাদের কান্দিতে তাঁর বিলাসবহুল বাড়ির ছবিও সামনে এসেছে।
তবে অভিযোগ শুধু দুর্নীতির নয়, ক্ষমতার দাপট দেখানোর অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। পুলিশের অনেকের দাবি, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক রাতে নাকা চেকিংয়ের সময় নিয়ম মেনে একটি গাড়ি আটকেছিলেন সাউথ ইস্ট ট্র্যাফিক গার্ডের সার্জেন্ট শান্তনু নায়েক। পরে জানা যায়, গাড়িটিতে ছিলেন শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের ছোট ছেলে চিকিৎসক মণীশ সিনহা বিশ্বাস।
অভিযোগ, নিজের দায়িত্ব পালন করলেও সেই সার্জেন্টকে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। এক রাতের মধ্যেই সাউথ ইস্ট ট্র্যাফিক গার্ড থেকে তাঁকে সরিয়ে লালবাজারে ক্লোজ করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় তখনই জোর চর্চা শুরু হয় পুলিশ মহলে। তবে সরকার বদলের পর বদলাতে শুরু করেছে ছবিটাও। কলকাতা পুলিশে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের প্রভাব কমতেই ফের নিজের পুরনো জায়গায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে শাস্তির মুখে পড়া ওই ট্র্যাফিক সার্জেন্টকে।
সরকার বদলের পর শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের প্রভাব কমে যায়। দুর্নীতির মামলায় ইডি তাঁকে গ্রেফতার করে এবং কলকাতা পুলিশ চাকরি থেকেও বরখাস্ত করে। অন্যদিকে, আগে সরিয়ে দেওয়া ট্র্যাফিক সার্জেন্ট শান্তনু নায়েককে আবার সাউথ ইস্ট ট্র্যাফিক গার্ডে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।


