মুর্শিদাবাদ: বৃহস্পতিবার হয়ে গিয়েছে প্রথম দফার ভোট গ্রহণ (West Bengal Assembly Election2026)। দ্বিতীয় দফা হতে বাকি মাঝে দু-দিন। এরই মধ্যে রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসা। শনিবার আসানসোলে এক কংগ্রেস সমর্থকের হত্যার ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগের তীর যায় তৃণমূলের দিকে। এবার দ্বিতীয় দফার ঠিক আগে ‘রণং দেহী’ রূপ ধারণ করলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা তথা বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)।
জানা গিয়েছে, বাড়িতে ‘অস্ত্র রাখার নিদান দিয়েছেন তিনি। কিন্তু কেন? সূত্রের খবর, শনিবার মধ্যরাতে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাড়িতে চড়াও হয় কিছু দুষ্কৃতি। একই পরিবারের তঞ্জন সদস্যকে মারধোর করা হয়। সেইসঙ্গে বাড়িঘর ভাঙচুরেরও অভিযোগ সামনে আসে। ঘটনায় আহত হয়েছেন ওই পরিবারের এক মহিলা সহ মত ৩ জন। এতেই কার্যত ক্ষেপে গিয়েছেন অধীর। শনিবার মধ্যরাতেই ওই বাড়িতে পৌঁছে যান অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)। আক্রান্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে তাঁদের ‘বাড়িতে অস্ত্র রাখুন’ বলেন অধীর।
আক্রান্তরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
সূত্রের খবর, শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলেন কৃষ্ণ ঘোষ নামক ওই ব্যক্তি। যিনি নাকি একজন কংগ্রেস সমর্থক। ওই সময় তাঁর বাড়িতে চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতি। কৃষ্ণ ঘোষের পরিবারের এক সদস্য দিয়া ঘোষের দাবী, একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতি তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়ে কুমন্তব্য করতে থাকে। এমনকি ভাঙচুর ও মারধোরও করা হয় তাঁদের। ঘটনায় কৃষ্ণ ঘোষ সহ আদত হন ৩ জন। তাঁরা বর্তমানে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যদিও, পরিবারটি কংগ্রেস সমর্থক কিনা জানেন না অধীর চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)।
খবর পেয়ে রাতেই তিনি চার নম্বর ওয়ার্ডের ওই বাড়িতে যান। আক্রান্ত পরিবারটির সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত করেন। এরপর পাড়া প্রতিবেশী সহ কৃষ্ণ ঘোষের পরিবারকে বাড়িতে অস্ত্র রাখজতে বলেন তিনি। এদিকে, এই ঘটনায় বহরমপুর শহর যুব তৃণমূল সভাপতি পাপাই ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, ‘খুন কা বদলা খুন’ এমন মানসিকতা কি ছড়াতে চাইছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা (Adhir Ranjan Chowdhury)? বাড়ছে উদ্বেগ।


