Aaj lndia Desk, কলকাতা: বৃহস্পতিবার থেকেই গ্লাসগোয় শুরু হচ্ছে ভারতের কমনওয়েলথ গেমস অভিযান। প্রতিযোগিতার পরিধি আগের তুলনায় ছোট হলেও পদকের লড়াইয়ে এবারও বড় প্রত্যাশা ভারতের। ২৩ জুলাই থেকে ২ অগাস্ট পর্যন্ত চলা এই আসরে ১২৫ জন ক্রীড়াবিদ নিয়ে নামছে ভারতীয় দল, যেখানে অভিজ্ঞতা ও তরুণ প্রতিভার দারুণ সমন্বয় দেখা যাচ্ছে।
এবারের আসরে মাত্র ১০টি ক্রীড়া বিভাগ থাকায় প্রতিটি ইভেন্টই ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোট ৭৭ জন পুরুষ ও ৪৮ জন মহিলা ক্রীড়াবিদ আটটি মূল ও পাঁচটি প্যারা ইভেন্টে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। পুরো প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ১৯০ জন সদস্য, যার মধ্যে ৫১ জন কোচ ও সাপোর্ট স্টাফ এবং ১৪ জন আধিকারিকও রয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি আশা অ্যাথলেটিক্সে। ৩২ জন অ্যাথলিট নিয়ে এই বিভাগেই ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি। এছাড়া বক্সিং ও জুডোতে ১৪ জন করে, ভারোত্তলনে ১২ জন এবং সাঁতারে পাঁচ জন অংশ নিচ্ছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের পতাকা বহন করবেন অলিম্পিক পদকজয়ী মীরাবাঈ চানু ও বক্সার লভলিনা বরগোঁহাই।
সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে জ্যাভলিনে নীরজ চোপড়ার দিকে। চোটের কারণে আগের আসর খেলতে না পারলেও এবার তিনি ফিরেছেন সোনা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে। পাকিস্তানের আরশাদ নাদিমের সঙ্গে তাঁর দ্বৈরথই হতে পারে গেমসের অন্যতম আকর্ষণ। পাশাপাশি লংজাম্পে মুরলী শ্রীশঙ্কর, হাইজাম্পে জাতীয় রেকর্ডধারী সর্বেশ কুশারে, পারুল চৌধুরী, তাজিন্দরপাল সিং তুর, গুলবীর সিং ও অনিমেষ কুজুরদের দিকেও নজর থাকবে। ভারোত্তলনে মীরাবাঈর পাশাপাশি বক্সিংয়ে লভলিনা, প্রীতি পাওয়ার ও জিয়াসমিন ল্যাম্ব্রিয়ার কাছ থেকেও পদকের আশা রয়েছে।
বার্মিংহামে ৬১টি পদক জেতা ভারতের সামনে এবার চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন, কারণ ব্যাডমিন্টন, কুস্তি ও হকির মতো পদকসমৃদ্ধ ইভেন্ট নেই। তবু সংক্ষিপ্ত সূচির মধ্যেও ভারতের লক্ষ্য যত বেশি সম্ভব সোনা জিতে শক্তিশালী উপস্থিতির বার্তা দেওয়া। একই সঙ্গে ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের দৌড়ে থাকা ভারতের কাছে গ্লাসগোর অভিজ্ঞতাও ভবিষ্যতের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।


