29 C
Kolkata
Friday, April 17, 2026
spot_img

মহিলা সংরক্ষণ বিল হাউসে ফেল! নজরে বাকি দুই বিল—পাস নাকি আবারও ব্যর্থতা?

নয়াদিল্লি: সংসদের ভোটাভুটিতে মুখ থুবড়ে পড়ল কেন্দ্রের কাঙ্খিত ‘মহিলা সংরক্ষণ বিল’ (Women’s Reservation Bill)। শুক্রবার সংসদে দীর্ঘ আলোচনা ও তীব্র বাদানুবাদের পর ভোটাভুটিতে ২৯৮ বনাম ২৩০ ব্যবধানে প্রস্তাবটি পাস হতে ব্যর্থ হয়। যার ফলে বিরোধী ইন্ডিয়া জোটে আত্মবিশ্বাস ও জয়ের ঢেউ। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে বাকি দুই বিল নিয়ে।

বলা বাহুল্য, ১৬ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল, এই তিনদিনে সংসদীয় অধিবেশনে তিনটি বিতর্কিত বিল ওঠার কথা। যার মধ্যে ছিল ‘নারী সংরক্ষণ বিল’ (Women’s Reservation Bill), ‘ডিলিমিটেশন’ এবং ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহ আইন (সংশোধন) বিল’। বিরোধীরা অভিযোগ তোলে, ডিলিমিটেশনের সঙ্গে নারী সংরক্ষণকে (Women’s Reservation Bill) মিলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। জনগণনা বাইপাস করতে কিএন্দ্রের এই প্রস্তাব সংবিধান বিরোধী বলেও দাবী করেন তাঁরা।

বাকি দুই বিলের কি হবে?

বলা বাহুল্য, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বাকি দুইটি বিলের মধ্যে একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ, লোকসভায় পাস হলে দিল্লি, পুদুচেরি ও জম্মু-কাশ্মীরের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করতে এই বিলটি দরকার হতো। সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করতে হলে, ভোটের সময় উপস্থিত সদস্যদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন লাগে। বর্তমান সংখ্যা অনুযায়ী, এনডিএ-র কাছে সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না।

এই বিশেষ তিন দিনের সংসদ অধিবেশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বা মহিলা সংরক্ষণ আইনে পরিবর্তন আনা। এই আইনে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩% আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

যদি বিলটি (Women’s Reservation Bill) পাস হতো, তাহলে ২০২৯ সাল থেকে এটি কার্যকর করা হতো। এই সংশোধনীগুলোর মাধ্যমে লোকসভার আসনসংখ্যা বর্তমান ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করারও প্রস্তাব করা হয়েছিল। যাতে ২০১১ জনগণনার ভিত্তিতে সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়ার পর, ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগেই নারী সংরক্ষণ আইনটিকে ‘কার্যকর’ করা যায়।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন