29 C
Kolkata
Monday, May 18, 2026
spot_img

ক্ষমতা বদলেই বদলে গেল আইনের দিশা ! কেনো শুধু ঘাসফুলেই নজর পুলিশের ?

Aaj India Desk, কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের পর থেকে তৃণমূল নেতাদের (TMC Leader) বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে একের পর এক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। এবার কোচবিহারের মাথাভাঙা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর চন্দ্রশেখর রায় বসুনিয়াকেও রবিবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশ। এর পরেই রাজ্যে প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলকেই বার বার টার্গেট কেনো করা হচ্ছে তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

রবিবার রাত প্রায় ১২টা নাগাদ মাথাভাঙা শহরের দক্ষিণপাড়া এলাকায় চন্দ্রশেখর রায় বসুনিয়ার বাড়িতে যায় মাথাভাঙা থানার পুলিশ। এরপর তাঁকে বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারের সময় তৃনমূল কাউন্সিলর (TMC Leader) চন্দ্রশেখর রায় বসুনিয়া পুলিশের পদক্ষেপের সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, “২০২১ এবং ২০২৪ সালের ভোট-পরবর্তী ঘটনার পুরনো মামলায় আমাকে এখন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আমি কোনও হিংসার সঙ্গে যুক্ত নই।”

একের পর এক গ্রেপ্তারিতে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

শুধু কোচবিহার নয়, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে তৃণমূলের (TMC Leader) একাধিক জনপ্রতিনিধি ও নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হুগলির বৈদ্যবাটি পুরসভার কাউন্সিলর রাজু পাড়ুই ওরফে চণ্ডে-কে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বিবাদের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। সেই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। একই সাথে কামারপুকুর পঞ্চায়েতের প্রধান রাজদীপ দের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, হুমকি ও মারধরের অভিযোগে পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। নদিয়ার কৃষ্ণনগরেও তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা সরজিৎ বিশ্বাস।

বিজেপির কৌশল কী?

বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলাগুলিকে বেছে বেছে সক্রিয় করা হচ্ছে। বিরোধী দলের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই কাউন্সিলর ও পঞ্চায়েত প্রধানদের নিশানা করা হচ্ছে। অতীতে অনেক ক্ষেত্রেই গ্রেপ্তারের পর আদালতে অভিযোগ টেকেনি বা অভিযুক্তরা নিঃশর্ত জামিন পেয়েছেন। ফলে পুলিশের নীতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে তৃনমূল কংগ্রেস।

রাজনৈতিক তরজার মধ্যেই এখন নজর আদালতের দিকে। তদন্তে অভিযোগ কতটা প্রমাণিত হয় এবং বিচার প্রক্রিয়ায় কতটা নিরপেক্ষতা বজায় থাকে, সেটাই আগামী দিনে এই বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন