Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: এবার কি ব্যক্তিগত পরিসরেও হস্তক্ষেপ করতে চলেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন( ECI ) ? নাকি সবটাই প্রয়োজনের তাগিদে ? উঠছে সেই প্রশ্ন।
রবিবার নির্বাচন কমিশনের ( ECI) তরফ থেকে জানানো হয় যে , ১৫ই মার্চ ভোটের তফসিল ঘোষণার পর থেকে আসাম, তামিলনাড়ু, কেরালা, পুদুচেরি এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে ১১,০০০-এরও বেশি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পোস্টের বিষয়বস্তু সরিয়ে ফেলার নির্দেশ এবং এফআইআর দায়ের করা।
এক বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশনের( ECI )তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, ‘ চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বা বিঘ্ন ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে এমন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলো তথ্য প্রযুক্তি আইনের অধীনে রাজ্য নোডাল অফিসারদের দিয়ে পর্যবেক্ষণ করানো হচ্ছে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
কমিশনের ( ECI) তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে , “২০২৬ সালের ১৫ই মার্চ নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে ১১,০০০-এরও বেশি এই ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট/ইউআরএল শনাক্ত করা হয়েছে এবং সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে কনটেন্ট অপসারণ, এফআইআর ।”
সম্প্রতি সরিয়ে ফেলা পোস্টগুলোর মধ্যে ২০২২ সালের একটি ভিডিও ছিল, যা পুনরায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভিডিওটিতে অভিযোগ করা হয় যে, তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গে ভোটারদের বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে। কনটেন্টটি সরিয়ে ফেলার পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের দাপ্তরিক অ্যাকাউন্ট থেকে শনিবার ফেসবুক এবং এক্স-এ বলা হয়েছে যে, “যারা এই বিভ্রান্তিকর ভিডিওটি ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।”
বর্তমানে এ আই এর বহুল ব্যবহারকে মাথায় রেখে কমিশনের (ECI ) তরফ থেকে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং প্রচার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ‘‘কোনও এআই নির্মিত জিনিস প্রচারে ব্যবহার করা হলে তার গায়ে ‘এআই নির্মিত’ বলে উল্লেখ করে দিতে হবে।’’ ভোটারদের বিশ্বাসের মর্যাদা দেওয়ার কথাও বারবার মনে করিয়ে দিয়েছে কমিশন।


