30.3 C
Kolkata
Thursday, June 18, 2026
spot_img

“কীসের লোভে তৃণমূল ছাড়লেন সুদীপ?” মুখ খুললেন হুমায়ুন কবীর

Aaj India Desk,কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফল এবং সই জাল কাণ্ডের পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বড়সড় ভাঙনের ছবি সামনে এসেছে। দলের একাংশের নেতা-বিধায়করা ইতিমধ্যেই আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করেছেন। বিদ্রোহী বিধায়কদের দাবি, তাঁরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Bandyopadhyay)-কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

এরই মধ্যে গত ১৪ জুন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ ঘোষণা করেন যে, তাঁরা ত্রিপুরার রাজনৈতিক দল এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দিচ্ছেন। পাশাপাশি, তাঁরা সংসদে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে সমর্থন করবেন বলেও জানান।

এই ২০ জন সাংসদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা ও ছয়বারের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay) এবং সাংসদ শর্মিলা সরকার। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, আগামী দিনে তাঁরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।

জানা গিয়েছে, বিদ্রোহী সাংসদদের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে একটি চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে। সেই চিঠিতে নতুন দলে যোগ দেওয়ার কথা জানানো হয়। চিঠিতে শেষ স্বাক্ষরটি করেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে, এনডিএ-র শরিক দলে যোগ দেওয়ার পর তৃণমূলের দলীয় প্রতীক এবং সম্পত্তির অধিকার নিয়ে আইনি লড়াই শুরু হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, এই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর(Humayun Kabir)। তিনি বলেন, “সুদীপবাবুর যদি সামান্য কৃতজ্ঞতাবোধ থাকত, তাহলে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ছেড়ে অন্য দলে যেতেন না। ৮০ বছর বয়সে কীসের লোভে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, তা মানুষ জানতে চাইছে। শুনছি, তিনি নাকি আগামী দিনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও হতে পারেন।”

সব মিলিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলবদল ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই ঘটনার কী প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন