নয়াদিল্লি: জোড়াফুল ও দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল ঋতব্রত (Ritabrata Banerjee) শিবির। বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে তাঁদের ১০ জনের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের পর নিজেদের দাবিতে অনড় থাকার বার্তা দিলেন ঋতব্রত (Ritabrata Banerjee)। বৈঠক শেষে তিনি দাবি করেন, কমিশন (Election Commission) তাঁদের বক্তব্য গুরুত্ব দিয়ে শুনেছে এবং খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
ঋতব্রতের দাবি, গত ২২ জুন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করা হয় এবং সমস্ত নথি নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁর (Ritabrata Banerjee) কথায়, “নির্বাচন কমিশনারদের ধন্যবাদ জানিয়েছি। তাঁরা আমাদের দাবি মন দিয়ে শুনেছেন। আশা করছি দ্রুতই কমিশন সিদ্ধান্ত জানাবে।”
বৈঠকের পর আরও একধাপ এগিয়ে ঋতব্রত (Ritabrata Banerjee) দাবি করেন, “আমরাই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। দলের অধিকাংশ সাংসদ, বিধায়ক এবং নির্বাচিত প্রতিনিধির সমর্থন আমাদের সঙ্গেই রয়েছে। তাই দলের প্রতীক ও তহবিলের প্রকৃত অধিকারও আমাদের।” তাঁর বক্তব্য, কমিশনের (Election Commission) কাছে সেই সংক্রান্ত সমস্ত সাংগঠনিক নথিও জমা দেওয়া হয়েছে।
ঋতব্রত (Ritabrata Banerjee) জানান, তাঁদের শিবিরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অরূপ রায়কে দলের নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কিছু “চাটার্ড” ও “মাফিয়া” চক্র তৃণমূল কংগ্রেসকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছিল। সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতেই তাঁরা সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তাঁর আরও দাবি, দলের প্রকৃত সংগঠন ও নেতৃত্ব এখন তাঁদের হাতেই রয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে জোড়াফুল প্রতীক এবং দলের তহবিলের অধিকার তাঁদের শিবিরকেই দেওয়া উচিত। তবে কি মমতার হাত থেকে চলে যাবে তাঁর সাধের তৃণমূল কংগ্রেস দলটাই? নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সমগ্র রাজনৈতিক মহল।


