29 C
Kolkata
Sunday, August 16, 2026
spot_img

নাম জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছিল?’ আশিসবাবুর মৃত্যুতে বড় প্রশ্ন শুভেন্দুর

Aaj India Desk, কলকাতা: রামপুরহাটের পাঁচ বারের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রবিবার সকালে বাড়ির কাছের কার্যালয় থেকে আশিসবাবুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর দুঃখপ্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মৃত্যুর নেপথ্যে কোনও চাপ বা ব্ল্যাকমেলের ঘটনা ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

ভিডিও কলে পরিবারের সঙ্গে কথা মুখ্যমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রী জানান, বোলপুরের তৃণমূল সাংসদ অসিত মালের ফোন থেকে তিনি আশিসবাবুর স্ত্রী, দিদি এবং ৮৪ বছর বয়সি দুই দাদার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেছেন। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। ২০০৬ সালের রাজনৈতিক সময়ের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, তখন অল্প কয়েকজন বিরোধী বিধায়কের মধ্যে আশিসবাবুও ছিলেন। তাঁর দাবি, আশিসবাবু ছিলেন শিক্ষিত, মার্জিত এবং সৎ ।

ব্ল্যাকমেলের আশঙ্কা, নজরে ফোনের তথ্য

মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং বীরভূমের পুলিশ সুপারকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আশিসবাবুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। নির্বাচনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি কমিটি থেকে আশিসবাবুর সরে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দুর আশঙ্কা, কোনও দুর্নীতিগ্রস্ত গোষ্ঠী তাঁর নাম জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। ফোনের কল ডিটেল রেকর্ড বা CDR পরীক্ষা করলে বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে বলে জানান তিনি।

সুইসাইড নোট যাবে ফরেনসিকে

ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া এক পাতার সুইসাইড নোট ফরেনসিক পরীক্ষায় পাঠানোর কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বগটুই কাণ্ড এবং বালি মাফিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নিচুতলার কারও অপকর্মের দায় একজন সজ্জন নেতার উপর চাপানো উচিত নয়। দ্রুত পরিবারের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার কথাও জানিয়েছেন শুভেন্দু। পাশাপাশি স্থানীয় বিজেপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আশিসবাবুর সুসম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন