28 C
Kolkata
Tuesday, September 1, 2026
spot_img

পুরভোট কবে? আইনি জটের মাঝেই জেলাশাসকদের নিয়ে বৈঠক কমিশনের

Aaj India Desk, কলকাতা: রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে বাকি থাকা পুরসভা ও পুরনিগমগুলির নির্বাচন করাতে এবার প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission)। বুধবার সকাল ১১টায় কমিশনের দফতরে সমস্ত জেলার জেলাশাসকদের (DM) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে। বাকি থাকা পুরভোটের প্রস্তুতি, প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য ভোটের দিনক্ষণ নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।

তবে পুরভোট আয়োজনের পথে এখনও রয়েছে আইনি জটিলতা। মঙ্গলবার হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যে একাধিক নির্বাচনী মামলা এখনও বিচারাধীন। মোট ২৬টি মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সেই মামলাগুলির কারণে অনেক ইভিএম এবং নির্বাচনের সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ এখনও সংরক্ষণ করে রাখতে হচ্ছে। ফলে নতুন করে ভোট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএমের জোগান নিয়ে সমস্যায় পড়ছে কমিশন।

এই পরিস্থিতির মধ্যেও ভোটের প্রস্তুতি এগিয়ে রাখতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। যে সব জেলায় পুরভোট বাকি রয়েছে, সেই জেলার জেলাশাসকদেরই বুধবারের বৈঠকে ডাকা হয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, বিধাননগর, দুর্গাপুর এবং শিলিগুড়ির মতো পাঁচটি পুরনিগমের পাশাপাশি কার্শিয়াং, মিরিক, কালিম্পং, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর ও ধূপগুড়ির মতো পুরসভাতেও নির্বাচন বাকি রয়েছে। তালিকায় রয়েছে বালি, ডোমকল, পূজালি, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কুপার্স ক্যাম্প এবং নলহাটির মতো আরও কয়েকটি পুরসভা।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালতে চলা মামলাগুলির জট দ্রুত কাটিয়ে ইভিএমগুলি ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় ফেরানো সম্ভব হলে ভোটের পরবর্তী ধাপ এগোনো সহজ হবে। এরপর জেলাশাসকদের সঙ্গে আলোচনা করেই ভোটের প্রস্তুতি এবং সম্ভাব্য দিনক্ষণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এর মধ্যেই কলকাতা ও হাওড়ার পুরনিগমে ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য বিধানসভায় বিল পাশ হয়েছে। পাশাপাশি সোমবার পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দুর্গাপুর এবং শিলিগুড়ি পুরনিগমেও আসন সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন পুরবোর্ডে একাধিক কাউন্সিলর পদত্যাগ করায় কয়েকটি পুরসভায় প্রশাসক বসানো হয়েছে। রাজ্য সরকারও দীর্ঘদিন প্রশাসকের মাধ্যমে পুরসভা চালানোর পক্ষে নয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার জানিয়েছেন, কোনও প্রশাসককে ছয় মাসের বেশি রাখা হবে না। ফলে তার আগেই পুরভোট করানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন