Aaj India Desk, কলকাতা : ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের দলীয় অফিসের সাইনবোর্ড সরানোকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই ঘটনাটিকে ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি’ বলে কটাক্ষ করলেন প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় (Saugata Roy)। তাঁর অভিযোগ, অভিষেককে ‘অযথা হয়রানি’ করা হচ্ছে।
একাধিক FIR, নাম রয়েছে অভিষেকের
সম্প্রতি শেক্সপিয়র সরণি থানায় ঘটনায় তিনটি FIR দায়ের হয়েছিল। একাধিক মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) পাশাপাশি ডেরেক ও’ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, হুমায়ুন কবীর এবং অভিষেকের PA সুমিত রায়ের নাম রয়েছে। মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়েই থানায় অভিষেক
২৯ আগস্ট রাতে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে নোটিস দিয়ে ১ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের কিছু পর, প্রায় ১২টা ১৭ মিনিট নাগাদ একা গাড়িতে থানায় পৌঁছন অভিষেক। তাঁকে ঘিরে থানার বাইরে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের জমায়েত হয় এবং স্লোগান ওঠে। এই মামলায় ডেরেক ও’ব্রায়েনকেও তলব করা হয়েছিল। তবে তিনি মঙ্গলবার থানায় হাজির হননি বলে জানা গিয়েছে।
‘অযথা হয়রানি করা হচ্ছে’
অভিষেকের হাজিরাকে কেন্দ্র করে সৌগত রায় (Saugata Roy) বলেন, এই ঘটনায় তাঁকে অযথা হয়রানি করা হচ্ছে। তাঁর মতে, গোটা ঘটনাটির পিছনে রয়েছে ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি’। তৃণমূলের বক্তব্য, সাইনবোর্ড সরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিশানা করা হচ্ছে।
সাইনবোর্ড সরানোকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সংঘাত এখন আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিতর্কেরও বিষয় হয়ে উঠেছে। একদিকে তৃণমূলের তরফে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে প্রশাসনের বক্তব্য যে আইনশৃঙ্খলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


