কলকাতা: তারাতলার ব্রেস ব্রিজের কাছে নির্মীয়মাণ বিল্ডিং ভেঙে পড়ার (Taratala building collapse) পর উদ্ধারকাজ চলাকালীন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে পুলিশ আধিকারিক ও উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তারাতলার দুর্ঘটনা (Taratala building collapse) নিয়ে বেশ কিছু তথ্য দেন শুভেন্দু। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ১৮ জনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা গিয়েছে। তবে এখনও প্রায় ১২-১৫ জন ভিতরে আটকে রয়েছেন।
উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, আটকে পড়াদের সকলের সঙ্গেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে এবং তাঁদের কাছে জল এবং অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) জানিয়েছেন, তারাতলায় নির্মীয়মাণ ভবন ভেঙে এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ৩ জন। তবে আশঙ্কা করা হয়েছে, আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ নির্মাণ
অন্যদিকে, তারাতলা ব্রেস ব্রিজ সংলগ্ন নির্মীয়মাণ গোডাউন ধসের (Taratala building collapse) ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। তৃণমূল আমলে অনুমোদন পাওয়া সমস্ত নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারতের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) জানান, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যজুড়ে নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ভবনগুলির পূর্ণাঙ্গ ‘স্বাস্থ্যপরীক্ষা’ বা সেফটি অডিট করা হবে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ সংস্থাগুলি প্রতিটি নির্মাণের কাঠামোগত স্থায়িত্ব, নির্মাণসামগ্রীর গুণমান এবং নিরাপত্তা মান খতিয়ে দেখবে। সেই পরীক্ষায় ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত কোনও নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করা যাবে না।
তারাতলার দুর্ঘটনার (Taratala building collapse) প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, মানুষের জীবন নিয়ে কোনওরকম ঝুঁকি নেওয়া হবে না। কোথাও গাফিলতি, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার বা নিয়ম ভঙ্গের প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


