33 C
Kolkata
Wednesday, June 24, 2026
spot_img

তারাতলার ছায়া বিধানসভায়! থমকে থাকা অধিবেশন উদ্ধারে এগিয়ে এলেন অর্থমন্ত্রী!

Aaj India Desk, কলকাতা: কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ ধসে পড়ার ঘটনার (Taratala Incident) প্রভাব পড়ল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধিবেশনেও। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে অংশ নিতে একাধিক মন্ত্রী বিধানসভা ছেড়ে যাওয়ায় ট্রেজারি বেঞ্চে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মন্ত্রীর উপস্থিতি না থাকায় সাময়িকভাবে কোরাম-সংকট তৈরি হয়। বিষয়টি তুলে ধরে আপত্তি জানায় বিরোধী শিবির। ফলে সাময়িকভাবে থমকে যায় বিধানসভার গুরুত্বপূর্ন অধিবেশন।

তারাতলার দুর্ঘটনার (Taratala Incident) খবর পেয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও একাধিক মন্ত্রী দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অধিবেশন চলাকালীন বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, হাউসে প্রয়োজনীয় কোরাম নেই। তাঁর দাবি, ট্রেজারি বেঞ্চে ন্যূনতম ছয়জন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক হলেও সেই সময় উপস্থিত ছিলেন মাত্র পাঁচজন মন্ত্রী। যদিও বিধায়কদের উপস্থিতি পর্যাপ্ত ছিল। প্রাক্তন মন্ত্রী জাভেদ খানকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, “স্যর, হাউসে কোরাম নেই। এই অবস্থায় অধিবেশন চলতে পারে না।”

পরিস্থিতি সামাল দিতে শিল্পমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে হাউসকে জানান, তারাতলায় ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার কারণে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে একাধিক মন্ত্রীকে ঘটনাস্থলে যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, “তারাতলায় একটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটে গিয়েছে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বেশ কয়েকজন মন্ত্রীকে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে ছুটতে হয়েছে। তবে বিরোধী পক্ষ যে বিষয়টি তুলেছেন তা সঠিক।”

তবে অধিবেশন চালু রাখতে কিছুক্ষণের মধ্যেই বিধানসভায় পৌঁছান অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এবং পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ। এরপর কোরাম-সংক্রান্ত জটিলতা কেটে যায় এবং অধিবেশনের কাজ স্বাভাবিকভাবে এগোতে শুরু করে। তবে ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে শাসকদলের মুখ্যসচেতক অম্লান ভাদুরীকে সতর্ক করেন স্পিকার।

অন্যদিকে, তারাতলার (Taratala Incident) ব্রেসব্রিজ এলাকায় ভেঙে পড়া নির্মীয়মাণ গোডাউনের ধ্বংসস্তূপে এখনও উদ্ধার অভিযান চলছে। সেনা ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে এখনও পর্যন্ত ১৬ জন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে লোহার বিশাল কাঠামোর নীচে আরও শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঠিক কতজন এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে রয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়। এই অবস্থায় এখনও উদ্বেগে রয়েছেন শ্রমিকদের পরিবার।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন