নয়াদিল্লি: NEET প্রশ্নফাঁসের অভিঘাত, পড়ুয়াদের আন্দোলন, রাজনৈতিক চাপ, সব মিলিয়ে তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। পদত্যাগের প্রায় দু’সপ্তাহ পর অবশেষে মুখ খুললেন তিনি। আর তাঁর বক্তব্যে উঠে এল এক অন্য ব্যাখ্যা! মন্ত্রীর চেয়ার নয়, তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎই নাকি ছিল তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
শনিবার ভুবনেশ্বরের একটি বেসরকারি কলেজের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ধর্মেন্দ্র (Dharmendra Pradhan) বলেন, বর্তমান প্রজন্মের তরুণরা তাঁদেরই সন্তান। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত কোনও সমস্যার কারণে তিনি পদ ছাড়েননি। বরং তরুণদের আকাঙ্ক্ষা এবং তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়েই তাঁর ভাবনা ছিল। অর্থাৎ, রাজনীতির ভাষায় যেখানে ‘চাপ’, ‘ব্যর্থতা’ কিংবা ‘দায়’ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, ধর্মেন্দ্রর বক্তব্যে সেখানে হাজির ‘যুবসমাজের ভবিষ্যৎ’।
তিনি (Dharmendra Pradhan) বলেন, ভারতে প্রতি বছর প্রায় দুই কোটি শিশুর জন্ম হয়। গত এক দশকে প্রায় ২০ কোটি শিশু জন্মেছে। তাঁদের আকাঙ্ক্ষাই ভবিষ্যতে ভারতকে ‘বিশ্বগুরু’ করে তুলবে, এমনই বার্তা দেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।
ধর্মেন্দ্র আরও জানান, তিনি নিজেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তাহলে প্রশ্নটা থেকেই যায়, NEET-এর প্রশ্নফাঁস ও পড়ুয়াদের আন্দোলনের পর যে ইস্তফা নিয়ে এত রাজনৈতিক জল্পনা, সেটি কি সত্যিই ‘চাপের কাছে নতি’, নাকি ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) কথায়, বৃহত্তর কোনও রাজনৈতিক বার্তা?


