Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: নাগরিকত্ব (Citizenship Rules) সংক্রান্ত আবেদনের প্রক্রিয়ায় বড়সড় পরিবর্তন আনল কেন্দ্রীয় সরকার। ১৯ অগস্ট গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে The Citizenship (Third Amendment) Rules, 2026 কার্যকর করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। নতুন বিধিতে নাগরিকত্বের রেজিস্ট্রেশন এবং ন্যাচারালাইজেশনের আবেদন গ্রহণ, যাচাই ও নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা শাসকদের (District Collector) গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
কোন কোন এলাকায় কার্যকর নতুন বিধি?
নতুন নিয়ম কার্যকর হবে গুজরাট, রাজস্থান, পঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ, অসমের অ-উপজাতি এলাকা এবং ত্রিপুরার অ-উপজাতি এলাকায়। পাশাপাশি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখেও এই বিধি প্রযোজ্য হবে।
এতদিন নাগরিকত্বের এই ধরনের আবেদন খতিয়ে দেখা ও নিষ্পত্তির দায়িত্ব ছিল এমপাওয়ার্ড কমিটি এবং জেলা স্তরের নির্দিষ্ট আধিকারিকদের হাতে। নতুন নিয়মে সেই ক্ষমতার বড় অংশ সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
আবেদন থেকে নাগরিকত্ব কী করবেন জেলা শাসক?
নাগরিকত্ব আইনের ধারা ৬বি অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন বা ন্যাচারালাইজেশনের আবেদন গ্রহণ, পরীক্ষা এবং নিষ্পত্তি করতে পারবেন জেলা শাসক। অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নথি যাচাই, তদন্ত এবং নাগরিকত্বের শপথ গ্রহণের বিষয়টিও তাঁর তত্ত্বাবধানে হবে।
কারা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন?
এই বিধির আওতায় পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন এবং পার্সি সম্প্রদায়ের নির্দিষ্ট আবেদনকারীরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারী উপযুক্ত ও সঠিক ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হলে এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করলে জেলা শাসক নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
পুরনো কমিটির হাতে থাকা আবেদনগুলির কী হবে?
নতুন নিয়মে সংশ্লিষ্ট এমপাওয়ার্ড কমিটি ও জেলা স্তরের কমিটির কাছে জমে থাকা আবেদনগুলিও সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকদের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, আগে থেকে জমা থাকা আবেদনগুলিও এবার জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ হবে। কেন্দ্রের দাবি, এর ফলে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আবেদনের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া আরও সরাসরি ও দ্রুত করা সম্ভব হবে।


