Aaj India desk, কলকাতা: একের পর এক ধাক্কা! সামলাতে বেসামাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল(TMC)। সেই ধাক্কা সামলাতেই নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের এক্স হ্যান্ডেল(পূর্বতন টুইটার) থেকে জানানো হয়েছে, “পশ্চিমবঙ্গে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত কমিটি এবং এর সমস্ত সহযোগী সংগঠন অবিলম্বে বন্ধ করা হবে। দল প্রতিটি স্তরে একটি ব্যাপক আত্মসমীক্ষা, পর্যালোচনা এবং সাংগঠনিক মূল্যায়ন করবে। এই পর্যালোচনার ফলাফলের ভিত্তিতে মূল সংগঠন এবং সমস্ত সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো নতুন করে তৈরি করে ঘোষণা করা হবে। দল তার সংগঠনকে শক্তিশালী করতে এবং নতুন উদ্যম ও উদ্দেশ্য নিয়ে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
ইতিমধ্যেই তৃণমূলের (TMC) হেভিওয়েট কয়েকজন বিধায়ক গতকালই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাথে দেখা করেছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন নয়না বন্দোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ খান। প্রশাসনিক বৈঠক হলেও এই নিয়ে যথেষ্ট জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এরপরেই আজ তৃণমূল (TMC) থেকে বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৬০ তৃণমূল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে নতুন তৃণমূল দল গঠনের কথা ঘোষণা করেন। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বোসের কাছে নিজেকে বিধানসভার নতুন বিরোধী দলনেতা, সন্দীপন সাহা বা জাভেদ খানকে ডেপুটি লিডার এবং আখরুজ্জামানকে মুখ্য সচেতক হিসেবে ঘোষণা করে ‘নতুন তৃণমূল ব্লক’ গঠনের দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনা ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের হাতে গড়া দল এভাবে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ার পরই তৃণমূল থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কেরিয়ার নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে প্রশ্ন উঠছে মমতা কি মেনে নিলেন তার পরাজয়? নাকি আবার ঘুরে দাঁড়াবেন আগের মতোই?


