35 C
Kolkata
Friday, May 15, 2026
spot_img

“৪ দশকের আনুগত্যের পুরস্কার এটাই?” কেন  ক্ষোভ উগরে দিলেন বারাসতের সাংসদ?

Aaj India Desk, উত্তর ২৪ পরগনা: পালাবদলের পর থেকেই সুর বদলেছেন একাধিক তৃণমূলের (TMC) নেতা-নেত্রী। প্রকাশ্যে নানারকম বেফাঁস মন্তব্য করে দলের একাধিক নেতা ও বিধায়ক শিরোনামেও উঠে আসছেন। কেউ সংবাদমাধ্যমের সামনে, তো কেউ আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকেই তৃণমূলের হারের জন্য অভিষেক (Abhishek Banerjee) বন্দ্যোপাধ্যায় ও আই-প্যাককে (I-PAC) দায়ী করতেও পিছপা হচ্ছেন না। এই পরিস্থিতির মধ্যেই এবার বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)-এর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা।

সম্প্রতি লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। তাঁর জায়গায় ফের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উল্লেখ্য, গত বছর আচমকাই এই পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাকলিকে সেই দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তবে মাত্র ন’মাসের মধ্যেই ফের কল্যাণকে ফিরিয়ে আনলেন মমতা।

এই সিদ্ধান্ত যে কাকলি ভালভাবে মেনে নিতে পারেননি, সেই ইঙ্গিত মিলেছে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে। তিনি লেখেন, “১৯৭৬ সাল থেকে পরিচয়, ১৯৮৪ সাল থেকে পথচলা। চার দশকের আনুগত্যের পুরস্কার পেলাম।” এই পোস্ট ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, দলের সিদ্ধান্তে তিনি যে ক্ষুব্ধ, সেই বার্তাই দিয়েছেন সাংসদ।

যদিও, এর আগেও কাকলির ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একাধিক বার সমালোচনা করেছিলেন। এমনকি সিপিএম নেতা মোহাম্মদ সেলিম-এর প্রশংসাও করতে দেখা যায় তাঁকে। আরেকটি পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমার মাকে নিয়ে প্রশ্ন না করে সব্যসাচী দত্ত কোথায়, সেটা জিজ্ঞাসা করুন”। তাই, রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, এই সব ঘটনার জেরেই কাকলিকে গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরানো হয়ে থাকতে পারে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন