Aaj India desk, কলকাতা: শ্যামাপ্রসাদ বনাম নেতাজি (Netaji Subhash Chandra Bose)। কখনো মূর্তির হাত ভাঙ্গা যাচ্ছে। কখনো নেতাজি কে নিয়ে কথা বলছেন বিজেপির সাংসদ। কখনো নেতাজি নামাঙ্কিত রাস্তাই বদলে দেওয়া হচ্ছে। তবে এই নিয়ে রাজ্যজুড়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। ফলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন নেতাজির অপমান সহ্য করা হবে না। নেতাজিকে অপমান করার জন্য কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন রাজ্যসভার সংসদ অনন্ত মহারাজ। তার বঙ্গবিভূষণ খেতাব কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এফ আই আর ও দায়ের করা হয়েছে। এই অবস্থায় পিছু হটলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা।
ঘটনা কি ঘটেছিল?
রামপুরহাটের পাঁচ মাথা মোড় থেকে ঝনঝনিয়া সেতু অব্দি রাস্তাটা পরিচিত ছিল নেতাজি সুভাষ রোড নামে। রামপুরহাটের বিধায়ক যুব সাহা কয়েক দিন আগে নেতাজির নামের সাইনবোর্ড খুলে দেন। বদলে রাখা হয় শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রোড। যদিও এতে অনুমোদন ছিল না পুরসভার। এই নিয়ে চরম বিতর্ক হয়। সাধারণত এভাবে বিধায়ক নাম পরিবর্তন করতে পারেন না। কোন রাস্তার নাম বদলাতে হলে পুরসভায় আবেদন করতে হয়। এখানে তেমন কিছু ঘটেনি। পাশাপাশি এই ঘটনা নেতাজির (Netaji Subhash Chandra Bose) অবমাননা বলেই সকলে মনে করে।
পিছু হটলেন কেন ?
নেতাজির (Netaji Subhash Chandra Bose) অপমান নিয়ে রাজ্যজুড়ে সমালোচনার পরে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া অবস্থান। তারপরেই সাংসদ অনন্ত মহারাজের ক্ষমা চাওয়া। সব দেখে আজ স্বয়ং বিধায়ক নতুন সাইনবোর্ডটি খুলে দেন। তিনি বলেন,”আমরা এ ধরনের বিতর্ক থেকে সরে দাঁড়াতে চাই। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে রাস্তার জন্য আমরা পুরসভা-প্রশাসনকে বলব। বিতর্ক যখন এসেছে, তখন আমরা পিছিয়ে আসলাম। সেই সমস্ত বোর্ড আমরা যে এজেন্সিকে বলে লাগিয়েছিলাম, তা সরিয়ে নিতে বলেছি। অন্তরে মম নেতাজি, হৃদয়ে মম নেতাজি।’’ মুখে নেতাজির কথা বললেও বারবার করে নেতাজিকে অপমান করতে ছাড়ছেনা গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহলের মতে নেতাজির আদর্শ তাদের জন্য বিপদজনক। তাই বারবার এই চেষ্টা করতে থাকবে তারা।


