Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার (Dharmend Pradhan Resigned) মধ্য দিয়ে ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি পূরণ হয়েছে। এর পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের আরও দাবিতে সরকার পদক্ষেপ নেওয়ার পর ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছে। তবে আন্দোলন শেষ হলেও প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে ঘিরে চাপ বজায় রাখতে চাইছে কংগ্রেস (Congress)-সহ ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী দলগুলি।
বিরোধীদের বক্তব্য, শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগেই বিষয়টির শেষ হওয়া উচিত নয়। তাদের দাবি, দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত। পাশাপাশি ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের সময় আন্দোলনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশি বলপ্রয়োগের দায় স্বীকার করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহেরও জবাব দেওয়া প্রয়োজন।
সোমবার সংসদে প্রশ্নফাঁস রোধে কড়া শাস্তির বিধান-সহ সংশোধনী বিল পেশ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। বিলটি নিয়ে আলোচনার সময়ই বিরোধীরা তাদের বিভিন্ন দাবি জোরালোভাবে তুলতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই কৌশল ঠিক করতে সোমবার সকাল ১০টায় সংসদে বৈঠকে বসবেন ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতারা।
অন্যদিকে, বিজেপিও পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের দাবি, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা শুধু বর্তমান সরকারের সময় নয়, ইউপিএ আমলেও ঘটেছে। পাশাপাশি কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী-শাসিত রাজ্যগুলিতে হওয়া প্রশ্নফাঁস এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার ঘটনাও সংসদে তুলে ধরতে চায় বিজেপি। সংশোধনী বিলের আলোচনাকে সামনে রেখে এই বিষয়গুলিকেই তারা গুরুত্ব দিতে চলেছে।
এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর বিরোধীরা সংসদে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আনতে চাইছে। রাম মন্দিরে চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল দুই কক্ষেই মুলতবি প্রস্তাব জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সোমবার ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে এই বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করে পরবর্তী কৌশল চূড়ান্ত করা হবে।


