Aaj India Desk,নয়াদিল্লি: সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। অধিবেশন শুরুর আগেই রাজনৈতিক মহলে জোর তৎপরতা দেখা গিয়েছে। কারণ, এই অধিবেশনে ডিলিমিটেশন, মহিলা আসন সংরক্ষণ বিল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল আনতে পারে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার। তাই সংসদে কোন দলের কতটা সমর্থন রয়েছে, তা নিয়েও চলছে আলোচনা।
এর মধ্যেই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের ২০ জন সাংসদ এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দিয়ে এনডিএ-কে সমর্থনের কথা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে জানিয়েছেন। যদিও স্পিকারের তরফে এখনও এ বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তারপরও রবিবারের সর্বদলীয় বৈঠকে এনসিপিআই-র প্রতিনিধিদের ডাকা হয়। সেই বৈঠকে ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay), কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ দলের অন্য সাংসদরা।
বৈঠক শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিরোধী দলগুলি প্রতিবাদ জানিয়ে প্রতীকী ওয়াক আউট করে। তাঁদের অভিযোগ, স্পিকারের স্বীকৃতি পাওয়ার আগেই এনসিপিআই-কে বৈঠকে ডাকা ঠিক হয়নি। তবে প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে বিরোধী সাংসদরা আবার বৈঠকে ফিরে আসেন।
বৈঠক শেষে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay) বলেন, তিনি ভেবেছিলেন বিরোধীরা হয়তো পুরো বৈঠকই বয়কট করবেন। কিন্তু পরে তাঁরা ফিরে আসেন। তিনি জানান, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর আমন্ত্রণেই তাঁরা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন।
পাশাপাশি তিনি সরকারের কাছে অনুরোধ করেছেন, সংসদে বিরোধী দলগুলিকেও যেন নিজেদের বক্তব্য রাখার যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়।
শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে হওয়া বৈঠকের কথাও জানান সুদীপ। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এনডিএ-র শরিক হিসেবে এনসিপিআই-কে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া হবে। সুদীপ বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে মজা করে বলেছিলেন, “বিল পাশ হয়ে গেলে আমাদের যেন ভুলে যাবেন না।” জবাবে মোদী নাকি বলেন, “তা কখনও হবে না।”
এদিকে, রবিবার বিকেল ৪টায় সংবিধান সদনে এনসিপিআই-র ২০ জন সাংসদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে বাদল অধিবেশনে দলের অবস্থান ও আগামী পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে।
অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, স্পিকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের আগে এনসিপিআই-কে সর্বদলীয় বৈঠকে ডাকার প্রতিবাদ জানাতেই বিরোধীরা কিছু সময়ের জন্য ওয়াক আউট করেছিলেন।


