Aaj India desk, কলকাতা: গত শুক্রবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার রাজারহাটের দক্ষিণ নারায়ণপুর এলাকায় বিস্ফোরণ (Rajarhat Blast) হয়। মাঝরাতের এই ঘটনায় একজন আহত হন।বিস্ফোরণের তীব্রতায় বাড়ির দুটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলাকায় নতুন ভাড়াটে আসার পরই ঘটে এই ঘটনা। বিস্ফোরণের তদন্তে নামে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুটি তাজা বোমা এবং বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে রাজ্য পুলিশের সিআইডি (CID) ও বম্ব স্কোয়াড।ঘটনায় সন্দেহ করা হচ্ছিল জঙ্গিযোগের। দুদিন পর আজ রিপোর্ট দিলো NIA।
রিপোর্টে কি বলা হয়েছে?
রাজারহাট বিস্ফোরণের (Rajarhat Blast) রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ঘরটির ভেতরে সুতলি বা হাতবোমা রাখা ছিল।সেটা ফেটে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ঘটনার ২ দিন আগে ভুয়ো কাগজ দেখিয়ে ঘরটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। এটি কোনও আকস্মিক দুর্ঘটনা ছিল না, বরং জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বড়সড় নাশকতার উদ্দেশ্যে ওই ঘরে বোমা ও বোমা তৈরির কাঁচামাল মজুত করা হচ্ছিল। বিস্ফোরণের ঠিক কয়েক মিনিট আগে এক নাবালকের মাধ্যমে ওই ঘরে একটি রহস্যময় সাদা চটের ব্যাগ পাঠানো হয়েছিল। সেই ব্যাগে কি ছিল তা ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।
তদন্ত কোন পথে ?
রাজারহাট বিস্ফোরণের (Rajarhat Blast) মামলায় ইতিমধ্যেই মহম্মদ শামিম এবং মহম্মদ শাহেনশাহ বলে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে রাজ্য পুলিশের নিউ টাউন থানা, রাজ্য এসটিএফ (STF) এবং সিআইডি মূল তদন্ত চালাচ্ছে। তবে এর পেছনে কোনও বড় ধরনের নাশকতার ছক বা জঙ্গি যোগসূত্র ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতেই কেন্দ্রীয় সংস্থা NIA স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (suo motu) এই অনুসন্ধান শুরু করেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ করেছে এবং পুরো এলাকার ভিডিওগ্রাফি করে আজ রিপোর্ট জমা দিয়েছে। রিপোর্টের ভিত্তিতেই ঠিক হবে পরবর্তী তদন্ত কারা করবে।


