Aajindia desk, নিউ দিল্লি: মধ্যবর্তী ভোটে হেরে গেছেন ট্রাম্প। আমেরিকায় জয়জয়কার হয়েছে ডেমোক্রাটদের। ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) রিপাবলিকান পার্টি গভর্নর এবং সিনেট নির্বাচনেও হেরেছে। টেক্সাস, জর্জিয়া বা আইওয়ার মতো নিজেদের শক্ত ঘাঁটিতেও পরাজয় হয়েছে তাদের। নিম্নকক্ষের ৪৩৫টি আসনের মধ্যে ডেমোক্র্যাটরা ২২৮টি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পার করেছে। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা পেয়েছে ১৩৯টি আসন। উচ্চকক্ষেও ডেমোক্র্যাটরা ৩৫টি আসনের মধ্যে ২০টি আসনে জয় ও ২টি আসনে এগিয়ে আছে। রিপাবলিকনরা জিতেছে মাত্র ১৩টি আসন। আর এরপরেই নেট পাড়া জুড়ে চলছে রসিকতা।
কি বলছেন নেটিজেনরা?
ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) হেরে যেতেই ভারতের সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা ছেয়ে গেছে।এক্স (টুইটার) এবং ফেসবুকে একটি মিম দারুণ ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ট্রাম্প মোদীর ঘরে ঢুকে বলছেন, “Bro, give me Gyanesh” (ভাই, আমাকে জ্ঞানেশকে দাও)। বেশ কিছু প্যারোডি পেজ ব্যঙ্গাত্মক খবর ছড়িয়েছে যে, “ট্রাম্পের অনুরোধে আমেরিকার ভোট অফিসারদের ‘নিরপেক্ষভাবে’ ভোট করানো শেখাতে জ্ঞানেশ কুমার আজই আমেরিকার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন।” কেউ কেউ বলছেন ট্রাম্পের সাথে যদি জ্ঞানেশ কুমার থাকতেন, তবে ট্রাম্পের এই দিন দেখতে হতো না!” বা “জ্ঞানেশ কুমার ট্রাম্পকে কখনই এভাবে হারতে দিতেন না!”
হঠাৎ জ্ঞানেশ কুমারের খোঁজ কেন?
ভারতের নির্বাচনের পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)জ্ঞানেশ কুমারের প্রশংসা করেছিলেন। এছাড়াও নরেন্দ্র মোদির ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘনিষ্ঠতা ও সকলে জানেন। এই অবস্থায় জ্ঞানেশ কে নিয়ে রসিকতা করতে ছাড়েননি ভারতের রাজনীতিবিদরাও। মহুয়া মৈত্র, পবন খেড়া এমনকি অভিজিৎ দীপকেও মজা করেছেন। ভারতেও নির্বাচনে এসআইআর অনিয়ম নিয়ে আন্দোলন চলছে। অভিযোগ সরকারকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাই তিনি থাকলে ট্রাম্পেরও সুবিধা হতো। রসিকতা আড়ালে আসলে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ করা হচ্ছে।


