Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: রাজধানী দিল্লিতে শুক্রবার সকালেই তৈরি হয় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি। আচমকাই পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় হাজির হন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাহিল লোচাব নামে এক যুবক, যিনি দিল্লির সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের (Students Protest) সময় র্যাফের (RAF) ছররা গুলিতে আহত হয়েছিলেন।
সাহিলের অভিযোগের ভিত্তিতে FIR দায়ের করার দাবি জানান রাহুল। তাঁর বক্তব্য, গত ২০ জুলাই ছাত্রদের ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচির সময় র্যাফ যে ছররা গুলি চালিয়েছিল, সেই ঘটনায় পুলিশের মামলা করা উচিত।
ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ প্রথমে ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছিল। পরে সিআরপিএফের তদন্তে ছররা ব্যবহারের তথ্য সামনে আসে বলে দাবি করা হয়। এরপর থেকেই রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তুলে আসছেন, আন্দোলনরত ছাত্রদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল?
শুক্রবার সেই প্রশ্ন নিয়েই থানায় পৌঁছে যান তিনি। তবে পুলিশ FIR নিতে রাজি না হওয়ায় থানার বাইরে বসেই প্রতিবাদ শুরু করেন রাহুল ও আহত যুবক। পুলিশ রাহুলকে জানায়, এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে।
তবে পুলিশের সেই বক্তব্যেও নিজের অবস্থান থেকে সরেননি রাহুল। তিনি বলেন, “আমরা পড়ুয়াদের পাশে রয়েছি। আমরা ন্যায় বিচার চাই। আমাদের চুপ করানো যাবে না। যতক্ষণ এফআইআর দায়ের হবে না, ততক্ষণ আমরা ধর্নায় বসে থাকব।”
ফলে শুক্রবার সকালেই পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার সামনে রাহুলের ধর্নাকে ঘিরে রাজধানীর রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়।


