Aaj India desk, কলকাতা: গতকাল পাস হয়েছে কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (সংশোধনী) বিল, ২০২৬ এবং হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিল। এই বিলের মাধ্যমে কলকাতা এবং হাওড়ার ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে (delimitation) । সরকারের বক্তব্য, এই সম্প্রসারণের লক্ষ্য নাগরিক পরিষেবা উন্নত করা এবং অসম ভোটার বণ্টন মোকাবিলা করা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এ বছরই শেষের দিকে পুর ভোট হবার কথা রয়েছে। তার আগে এই ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্তে শোরগোল পড়ে গেছে।
কোথায় কত ওয়ার্ড বাড়ল ?
নতুন ওয়ার্ড সম্প্রসারণ (delimitation)ব্যবস্থায় কলকাতায় ১৪৪ থেকে বেড়ে ২০৯ ওয়ার্ড এবং হাওড়ায় ৫০ থেকে ৬৮ ওয়ার্ড হবে। তবে শেষ পর্যন্ত ওয়ার্ডের পরিধি কতটা হবে তা নির্ধারণের কাজ রাজ্য নির্বাচন কমিশন করবে। তখন খসড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে এবং জনসাধারণের দাবি, আপত্তি ও অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকবে। এছাড়াও সর্বদলীয় বৈঠক করা হবে। একটি খসড়া প্রকাশের আগে এবং আরেকটি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে। ফলে এই ব্যবস্থায় কোনরকম অভিযোগের অবকাশ থাকবে না বলেই আশা সরকারের। গতকাল ধ্বনি ভোটে এই বিলটি পাস হয়। তবে বিরোধীরা এই নিয়ে যথেষ্ট আপত্তি তুলেছে।
বিরোধীরা আপত্তি করছেন কেন ?
নতুন ওয়ার্ড সম্প্রসারণ (delimitation) ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। প্রাক্তন মেয়র ও তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম সবচেয়ে আপত্তি তুলেছেন। তার বক্তব্য, তিনি নীতিগতভাবে ওয়ার্ড পুনর্গঠনের বিরোধী নন।কিন্তু স্পষ্ট করে জানতে চান—কোন নীতি বা মানদণ্ডের ভিত্তিতে এই পুনর্বিন্যাস হচ্ছে?তাঁর প্রশ্ন নতুন ওয়ার্ডের সীমানা কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে পরিবর্তন করা হচ্ছে কিনা?তিনি বলেন, “পরিসীমা নির্ধারণ শুধু মানচিত্রে রেখা টানা নয়, এটি গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্বের কাঠামো নির্ধারণের বিষয়।” মমতা পন্থী তৃণমূলের বিধায়ক কুনাল ঘোষ বলেন, “বর্তমান সরকার (বিজেপি) আসন্ন পৌর নির্বাচনে সুবিধা পাওয়ার জন্য এই পুনর্বিন্যাস করছে।”


