35 C
Kolkata
Monday, May 25, 2026
spot_img

ভুয়ো নথি থেকে কাজের বাজার এক সুতোয় অনুপ্রবেশ ইস্যু, তোপ মোদীর

Aaj lndia Desk,বীরভূম : বিধানসভা ভোটের শুরু থেকেই ” অনুপ্রবেশ”ইস্যুকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে বিজেপি। সীমান্ত লাগোয়া রাজ্য হওয়ায় বাংলায় বিপুল সংখ্যক অনুপ্রবেশকারী বসবাস করছে এই অভিযোগ বহুবার তুলেছেন বিজেপি নেতারা। তাঁদের দাবি, SIR প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই তথাকথিত অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে।তবে এবার সেই একই ইস্যুকে আরও তীক্ষ্ণ ধার দিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। সরাসরি রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে আক্রমণ শানিয়ে তিনি কার্যত এই বিতর্ককে নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিলেন, যা ভোটের আবহে নতুন করে উত্তাপ ছড়াতে পারে বাংলার রাজনীতিতে।

সিউড়ির জনসভা থেকে কার্যত কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে শুধু অনুপ্রবেশকারীদের নয়, তাঁদের যাঁরা মদত দিচ্ছেন তাঁদের বিরুদ্ধেও কড়া তদন্ত শুরু হবে।এতেই থামেননি মোদী। আরও একধাপ এগিয়ে হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্য থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে, আর এই চক্রের মাথা বলে যাঁদের চিহ্নিত করা হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে জেলের ভেতরে পাঠানো হবে। তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, নির্বাচনের আগে অনুপ্রবেশ ইস্যুকে ঘিরে বিজেপি এবার আরও আগ্রাসী কৌশলেই এগোতে চাইছে।

বীরভূম সীমান্তবর্তী জেলা নয় তবুও সেখানকার সভামঞ্চ থেকে বারবার ‘অনুপ্রবেশ’ প্রসঙ্গ তুলে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, এই ইস্যুকে তিনি কেবল ভৌগোলিক সীমান্তে সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছেন না, বরং গোটা বাংলার নিরাপত্তার সঙ্গে জুড়ে দেখতে চাইছেন।

মোদীর অভিযোগ, রাজ্যের মাটিতে অনুপ্রবেশকারীদের কার্যকলাপ নাকি ক্রমশই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। সেই সঙ্গেই তিনি তৃণমূলকে নিশানা করে দাবি করেন, শাসক দলের সিন্ডিকেট নাকি বেআইনি নথি জোগাড় করে দিচ্ছে অনুপ্রবেশকারীদের হাতে। তাঁর কথায়, এই ধরনের কার্যকলাপ শুধু রাজনৈতিক প্রশ্ন নয় দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও তা বড়সড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

ভুয়ো নথির প্রসঙ্গ টেনে এবার তা সরাসরি জুড়ে দিলেন কর্মসংস্থানের সঙ্কটের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)-র অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীরা কম মজুরিতে কাজ করতে রাজি হয়ে যাচ্ছেন এবং একই সঙ্গে সরকারি সুযোগ-সুবিধাও পাচ্ছেন। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন এবং অনেকেই বাধ্য হয়ে কাজের খোঁজে রাজ্যের বাইরে পাড়ি দিচ্ছেন।এই প্রেক্ষাপটেই তিনি অনুপ্রবেশ ইস্যুকে সাধারণ মানুষের জীবিকার সঙ্গে জুড়ে তুলে ধরে বলেন, বাংলার মানুষকে এই চাপ থেকে মুক্তি পেতে হলে রাজনৈতিক পরিবর্তন জরুরি। সেই বার্তা স্পষ্ট করে দিয়ে তিনি রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পক্ষেই সওয়াল করেন, যেন অনুপ্রবেশ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হয়।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন