কলকাতা: ভালোবাসার সম্পর্কের এমন ভয়ংকর পরিণতি (Murder Case)! একই ছাদের নীচে একসঙ্গে থাকার স্বপ্ন দেখেছিলেন দু’জনে। কিন্তু সেই সম্পর্কের শেষ পরিণতি যে এমন মর্মান্তিক হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি কেউ। কালীপুজোর আগের রাতেই রক্তাক্ত হয়ে উঠল কলকাতার উপকণ্ঠ গড়িয়া। লিভ-ইন পার্টনারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল এক তরুণীর বিরুদ্ধে। মৃত যুবকের নাম সার্থক সরকার। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তাঁর প্রেমিকাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, খুনের ঘটনায় যুক্ত থাকার সন্দেহে তরুণীর মাকেও পাকড়াও করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কালীপুজোর আগের রাতে গড়িয়ায় ঘটে এই হাড়হিম করা ঘটনা (Murder Case)। সার্থক সরকারের সঙ্গে ওই তরুণীর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাঁরা লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। কিন্তু কী এমন ঘটল যে, শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের পরিণতি হল রক্তাক্ত খুন? কোন পরিস্থিতিতে সার্থকের উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হল? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে।
অভিযোগ, সার্থককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিকবার কোপানো হয় (Murder Case)। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে সার্থকের লিভ-ইন পার্টনারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তরুণীর মায়ের গ্রেপ্তারি। এই ঘটনায় তাঁর কী ভূমিকা ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
কেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড (Murder Case)? ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, পারিবারিক অশান্তি, নাকি অন্য কোনও কারণ? সার্থকের মৃত্যুর পিছনে প্রকৃত কারণ জানতে একাধিক দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার আগের পরিস্থিতি এবং খুনের সম্ভাব্য কারণ জানার চেষ্টা চলছে।
কালীপুজোর আনন্দের আবহে এমন রক্তাক্ত ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। যে সম্পর্কের শুরু হয়েছিল একসঙ্গে পথ চলার স্বপ্ন নিয়ে, তার শেষ হল মৃত্যুর ঘটনায়। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ঠিক কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, তার উত্তর এখন পুলিশের তদন্তের অপেক্ষায়।


