Aaj India desk, কলকাতা: মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেছিলেন যাঁরা যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়েছেন তাঁদের সকলেই অন্নপূর্ণা ভান্ডার (annapurna bhandar)পাবেন। কিন্তু বাস্তবে সরকারী নির্দেশিকায় অন্যরকম দাবি করা হয়েছে।DBT বা Direct Benefit Transfer না থাকলে সরকারী টাকা ঢোকা সম্ভব নয়। একথা জানার পরেই ব্যাংকে, পোষ্ট অফিসে লাইন পড়ে গেছে মানুষের। অভিযোগ আসছে হয়রানির।
কি হয়েছে ?
DBT বা Direct Benefit Transfer এর মূল অর্থ হল একাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ডের যুক্ত থাকা। দেখা যাচ্ছে অনেকের একাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ড লিংক করা নেই। অনেকের আবার ফোন নম্বরও আধার কার্ডের সঙ্গে লিংক করা নেই। আগে এই কাজগুলি অনলাইনে হয়ে গেলেও বর্তমানে সরকারি সাইট বন্ধ। ফলে অন্নপূর্ণার (annapurna bhandar) টাকা পেতে এই গরমের মধ্যে গ্রাহকদের লাইন দিতে হচ্ছে পোষ্ট অফিসে কিংবা ব্যাংকে। ব্যাংকে লাইন পড়লেও DBT বা Direct Benefit Transfer করতে অসুবিধা হচ্ছে না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে পোস্ট অফিসে।
পোস্ট অফিসের চিত্রটা কি?
একদিনে ৫০ জনের বেশি গ্রাহকদের এই সুবিধা দিচ্ছে না। ফলে বাড়ছে হয়রানি। বিভিন্ন জায়গায় মানুষ রাত ২ টো থেকে লাইন দেওয়া শুরু করেছেন। যাদবপুর পোস্ট অফিসের বাইরে এক গ্রাহক বলেন, ” আমি এসেছিলাম ভোর ৪ টের সময়, তখন থেকে টানা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। ৮ টার সময় ভিতর থেকে একজন এসে নামগুলো লিখে নিলেন। আমার নাম ১৬ নম্বরে। ১০ টার সময় গেট খুললে কাজ শুরু হবে! ” উত্তর ২৪ পরগণার অশোক নগরের এক বাসিন্দা জানালেন, ” আমাদের এখানে রাত ২ টো থেকে সবাই লাইন দিচ্ছে রোজ। পুলিশ এসে মাঝে মাঝে তাদের সরিয়ে দেয়, আবার তারা চলে আসে।” সাধারণ মানুষের দাবি, “সরকার প্রথমে বলেছিল অন্নপূর্ণা ভান্ডারের (annapurna bhandar) টাকা এমনিতেই ব্যাংকে ঢুকবে। আগে যদি আমাদের বলা হত এই কাজগুলো আগেই করে রাখতাম আমরা। কিন্তু এই শেষ মুহূর্তে এত রকম নির্দেশ মানা কি সম্ভব?”


