Aaj India desk, নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত দেশের যুবসমাজকে আরশোলার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এই মন্তব্যের প্রতিবাদে ডিজিটাল অ্যাক্টিভিস্ট অভিজিৎ দিপকে খুলে ফেলেছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janta Party – CJP)। ব্যঙ্গ করে দেশের নানা সমস্যা নিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছিল তারা। ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ক্ষমতায় থাকা দলগুলোর বিরুদ্ধে ক্রমাগত ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট ও ট্রোল শেয়ার করে যাচ্ছিল তারা। কিন্তু তাদের এই সমালোচনা সহ্য হলো না সরকারের। বিরুদ্ধমতকে তারা এবারেও দমন করতে চাইল।
সরকারের ব্যবস্থাগ্রহণ?
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স (পূর্বতন টুইটার)থেকে কক্রোচ জনতা পার্টির একাউন্ট @CJP_2029 কে ব্যান্ড করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতে অ্যাকাউন্টটি কেউ অ্যাক্সেস করতে পারবেন না। ভারতের আইনি সংস্থা এবং সরকারের বিশেষ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী এই পদক্ষেপ। একে সোশ্যাল মিডিয়ার পরিভাষায় ‘Account Withheld’ বলা হয়, যার অর্থ অ্যাকাউন্টটি পুরোপুরি ডিলেট হয়নি,তবে ভারতের ভৌগোলিক সীমানার ভেতর থেকে এটি আর কেউ দেখতে পাবেন না। তবে এই একাউন্ট বন্ধ হলেও ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janta Party – CJP) @Cockroachisback নামে আরেকটি নতুন ব্যাকআপ হ্যান্ডেল চালু করে দিয়েছে।
এর কারণ কী?
কেন একাউন্টটিকে বন্ধ করা হলো, কর্তৃপক্ষ তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। তবে মনে করা হচ্ছে তীব্র রাজনৈতিক ট্রোলিং ও সরকারের প্রতি ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদের কারণেই এই নিষেধাজ্ঞা। প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে জানিয়েছেন, নিট পরীক্ষার্থী এক ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করতে শুরু করেছিলেন,তখনই অ্যাকাউন্টটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও মাত্র ৪ দিনে ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janta Party – CJP) অ্যাকাউন্টটির ফলোয়ার সংখ্যা দেশের শাসকদল বিজেপির (BJP) ফলোয়ার সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই বিপুল জনপ্রিয়তাকে সরকার সহজ ভাবে নেয়নি। বিজেপির শাসনকালে নাগরিকদের বাক স্বাধীনতার অধিকার বারবার ক্ষুণ্ন হয়েছে। এই ঘটনা তার মধ্যে নতুন সংযোজন।


