নয়াদিল্লি: দেশকাঁপানো আন্দোলনে সফলতার পর বলেছিলেন, আমাকে জেন ‘হিরো’ বানানো না হয়! সেই অভিজিৎ দিপকের (Abhijit Dipke) জন্যই এখন সম্মন্ধের পাহাড়! প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের পোস্টার বয় থেকে এখন তিনি যেন বিয়ের বাজারের ‘হট প্রপার্টি’! ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপককে ঘিরে এখন শুধু রাজনীতি নয়, চলছে ‘পাত্র দেখা’র জোর চর্চাও।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিজিতের (Abhijit Dipke) মা অনিতা দিপকে জানিয়েছেন, ছেলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নিজের পায়ে না দাঁড়ানো পর্যন্ত বিয়ের প্রশ্নই ওঠে না। পরিবারের আশ্বাস ছিল, টাকার চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু তাতেও নড়েননি ‘আন্দোলনের মুখ’। অভিজিতের মায়ের কথায়, “আমি বলেছিলাম, আমাদের প্রয়োজনীয় টাকা আছে। কিন্তু ও বলেছে, আগে নিজের উপার্জন হবে, তারপর বিয়ে। নিজের টাকাতেই সব করবে।”
এমনকী বিয়ের ক্ষেত্রেও অভিজিতের (Abhijit Dipke) ‘মিনিমালিস্ট’ দর্শন! পরিবারের দাবি, বিয়েতে পোশাক ছাড়া আর কিছুই নিতে চান না তিনি। না কোনও বাড়তি উপহার, না কোনও জাঁকজমক, নিজের রোজগারেই শুরু করতে চান নতুন জীবন। ৩০ বছরের এই তরুণকে (Abhijit Dipke) ঘিরে এখন সোশ্যাল মিডিয়াতেও চলছে নানা আলোচনা। কেউ বলছেন, তিনি এখন দেশের ‘মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর’দের একজন। আবার কেউ মজা করে লিখছেন, “রাজনীতি পরে হবে, আগে পাত্রপক্ষের লাইন সামলান!”
তবে অভিজিতের মায়ের কথায়, এখনও ছেলের জন্য পাত্রী দেখা শুরু হয়নি, কারও সঙ্গে কথাবার্তাও হয়নি। এমনকি ছেলে বাড়ি ফিরলেও অন্তত এক মাস বিয়ের প্রসঙ্গ তুলবেন না তিনি। তাঁর কথায়, “আগে ও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠুক, তারপর অন্য কথা।” যদিও পরিবারের প্রায় সকলেরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে, তাই একজন মা হিসেবে ভবিষ্যতে ছেলে নিজের সংসার গড়ুক, এই ইচ্ছা তাঁর রয়েছে। তবে সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অভিজিতের (Abhijit Dipke) উপরই ছেড়ে দিতে চান, কোনও রকম চাপ সৃষ্টি করতে রাজি নন তিনি।
পাশাপাশি, আপাতত অভিজিতের ফোকাস একটাই, পড়াশোনা শেষ করা, নিজের পায়ে দাঁড়ানো, তারপর সংসার। অর্থাৎ, আন্দোলনের মঞ্চ থেকে বিয়ের মণ্ডপে যাওয়ার ডাক যতই জোরালো হোক, ‘শুভ কাজ’-এর আগে তাঁর কাছে সবচেয়ে জরুরি ‘নিজের রোজগার’।


