Aaj India Desk, কলকাতা: কুয়েতের আল-আরাবিকে ৪-১ গোলে হারিয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর মূলপর্বে জায়গা করে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। এবার গ্রুপ ডি-তে শুরু হবে আরও কঠিন লড়াই। ভারতের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে লাল-হলুদকে মুখোমুখি হতে হবে জর্ডনের আল হুসেইন এসসি, ইরাকের আল শোরতা এসসি এবং ওমানের আল সিব ক্লাবের। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডাবল রাউন্ড-রবিন ফরম্যাটে চলবে এই লড়াই।
জর্ডনের চ্যাম্পিয়ন আল হুসেইন
গ্রুপের অন্যতম বড় শক্তি আল হুসেইন। জর্ডন প্রো লিগে টানা তিন মরসুমের চ্যাম্পিয়ন তারা। ২০২৫-২৬ মরসুমে ৬২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ জেতার পাশাপাশি জর্ডন এফএ কাপও ঘরে তুলেছে ক্লাবটি। দ্রুত পাসিং, হাই প্রেসিং এবং মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ তাদের খেলার মূল বৈশিষ্ট্য। আক্রমণে রিজক বানি হানি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। ফলে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণকে শুরু থেকেই সতর্ক থাকতে হবে।
আল শোরতা ইরাকের হেভিওয়েট
ইরাকের আল শোরতাকে গ্রুপের সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষগুলির একটি হিসেবে ধরা হচ্ছে। ২০২২ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ইরাক স্টার্স লিগে টানা চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। শারীরিক ফুটবল, এয়ারিয়াল ডুয়েল এবং সেট-পিসে দলটির শক্তি বেশি। একাধিক ইরাকি জাতীয় দলের ফুটবলার থাকায় অভিজ্ঞতাও যথেষ্ট। আল-নাসেরের বিরুদ্ধে আরব ক্লাব চ্যাম্পিয়ন্স কাপে ১-০ ব্যবধানে হারলেও তাদের লড়াই করার ক্ষমতা স্পষ্ট হয়েছিল।
আল সিবের ঘরোয়া শক্তি
ওমানের আল সিব আবার সম্পূর্ণ দেশীয় ফুটবলারদের উপর নির্ভরশীল। দলে রয়েছেন ওমান জাতীয় দলের আটজন খেলোয়াড়। সাধারণত ৪-৪-২ কাঠামোয় রক্ষণ জমাট রেখে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে তারা। আহমেদ আল-খামিসি, জাহিদ আল-আঘবারি, আব্দুল আজিজ আল-মুকবালি এবং মারওয়ান মুবারক দলের উল্লেখযোগ্য মুখ।
যুবভারতীই হতে পারে ইস্টবেঙ্গলের ভরসা
নক-আউটে উঠতে হলে ঘরের মাঠে পয়েন্ট সংগ্রহ করাই হবে লাল-হলুদের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে আল হুসেইনের পাসিং আটকানো, আল শোরতার শারীরিক ফুটবলের মোকাবিলা এবং আল সিবের রক্ষণ ভাঙতে ধৈর্য তিন ম্যাচেই আলাদা কৌশল প্রয়োজন। যুবভারতী থেকে যত বেশি পয়েন্ট তোলা যাবে, পরের রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনাও তত বাড়বে।


