Aaj India Desk, নয়া দিল্লি : বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ ঘিরে ফের তুঙ্গে বিতর্ক। নিট আন্দোলনের সময় প্রশ্নফাঁসের ইস্যুকে সামনে রেখে দেশ জুড়ে বিক্ষোভের পর পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এবার ফের আবার ককরোচ জনতা পার্টির নিশানায় আরেক মহারথী। নালসার ইউনিভার্সিটি অফ ল-এর ২০২৬ ব্যাচের পড়ুয়াদের আইনজীবী হিসেবে নথিভুক্তি নিয়ে বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (BCI)-এর সিদ্ধান্তকে সামনে রেখেই এবার তোপ দেগেছেন সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস।
কেন নলসার নিয়ে বিতর্ক?
নালসারের সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সম্ভাব্য যোগদানকে কেন্দ্র করে কয়েকজন পড়ুয়ার আপত্তি ও প্রতিবাদ থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। সেই প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে BCI-এর তরফে গোটা ২০২৬ ব্যাচের এনরোলমেন্ট আটকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সিদ্ধান্তটি প্রকাশ্যে আসার পর আইনি মহল এবং বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। পরে সমালোচনার মুখে BCI নিজেদের নির্দেশ প্রত্যাহার করে। ফলে নালসারের ২০২৬ ব্যাচের পড়ুয়াদের সামনে আইনজীবী হিসেবে নথিভুক্তির পথ ফের খুলে যায়।
কাকে নিশানা সিজেপির ?
নির্দেশ জারি এবং পরে তা প্রত্যাহারের ঘটনার পর বিসিআইএর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে সিজেপি। এই পরিস্থিতিতে BCI চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্রের ইস্তফা দাবি করেছে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) অন্যতম মুখপাত্র সৌরভ দাস।
যদিও BCI চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্র অবশ্য সমালোচনার জবাবে বলেছেন, তাঁদের উদ্দেশ্য পড়ুয়াদের অধিকার রক্ষা করা। তাঁর বক্তব্য, সিজেপির অভিজিৎ দীপকে এবং সৌরভ দাসকে তিনি জানাতে চান পড়ুয়াদের স্বার্থ রক্ষাই BCI-এর লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, CJP-র সঙ্গে এই বিতর্কের সূত্র বেশ পুরনো। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের ‘আরশোলা’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কের পরই ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ককরোচ জনতা পার্টির উত্থান ঘটেছিল। পরে NEET-UG প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আন্দোলন করে সংগঠনটি, যার অন্যতম দাবি ছিল তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। ২৫ জুলাই সেই আন্দোলনের জেরে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। এবার নালসার বিতর্ককে কেন্দ্র করে ফের সরব হলো সিজেপি। তবে কি আগামী দিনে দিল্লিতে ফের আন্দোলনের ছবি দেখা যাবে ? এই নিয়েই এখন চলছে জল্পনা।


