কলকাতা: গ্রেফতার হতে চলেছেন নওদার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবির (Humayun Kabir)? মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আল্টিমেটামের পরই হুমায়ুনের সভার আয়োজক তথা শাগরেদদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার সোজা বিধায়কের বাড়ির দরজায় কড়া নাড়ল রেজিনগর ও শক্তিপুর থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে দায়ের হওয়া দুটি পৃথক মামলায় তাঁকে থানায় হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি মামলায় ৩ জুলাই এবং অন্য মামলায় ৫ জুলাই সংশ্লিষ্ট থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir)। ইতিমধ্যেই তাঁর বাড়িতে পৌঁছে এই মর্মে নোটিস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ।
উল্লেখ্য, সোমবার বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেছিলেন, “এনাফ ইজ এনাফ! যারা আপনাকে ওই সভায় ডেকেছিল আগে তাদের তুলব। তারপর আপনার কাছে যাব! এটাই আপনার শেষ বক্তব্য!” এরপরই সোমবার রাতে হুমায়ুনের (Humayun Kabir) কাশীপুরের সভার দুই আয়োজক লোকনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা আমিনুল শেখ ও কাশিপুর অঞ্চল এলাকার বাসিন্দা গোলাম মোস্তাফাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর এরপর শক্তিপুর থানা এলাকা থেকে আনিসুর রহমান মানক আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
হাজিরার নোটিশ নিয়ে কি বললেন হুমায়ুন?
বলা বাহুল্য, লাগামছাড়া ধর্মীয় উস্কানিমূলক, অপমানজনক মন্তব্যের পর সোমবার শুভেন্দু অধিকারীর ভর্ৎসনা শুনেও আক্রমণের ঝাঁজ অব্যাহতই ছিল হুমায়ুনের (Humayun Kabir) গলায়। তিনি বলেছিলেন, “এফআইআর হোক বা যা-ই হোক, কুছ পরোয়া নেহি।” এদিন তাঁর বাড়িতে পুলিশের হাজিরা নোটিশ পৌঁছনর পর হুমায়ুন বলেন, “আমি বাড়িতে নেই। তবে বাড়িতে লোক রয়েছে। নোটিস পেলে ঠিক জানতে পারব। তারপর হাজিরা নিয়ে ভাবব। তবে কারও দাসত্ব করব না।” এখন নির্ধারিত দিনে তিনি থানায় হাজিরা দেন কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


