Aaj India Desk,আলিপুরদুয়ার: বিজেপি প্রার্থী দীপক বর্মনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে অদ্ভুত পরিস্থিতি। অভিযোগ, তাঁকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, এমনকি পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণেও বারবার ডাকা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সেই ট্রেনিংয়ে উপস্থিত না থাকার জন্য তাঁর কাছে পৌঁছেছে কারণ দর্শানোর নোটিসও।
এই ঘটনা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, একজন প্রার্থী কীভাবে নির্বাচনী দায়িত্বে যুক্ত হতে পারেন? এতে কি প্রভাব পড়তে পারে ভোট প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতায়?তবে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ পদ্ধতিগত ত্রুটি। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নজরে এসেছে এবং সংশ্লিষ্ট তালিকা থেকে প্রার্থীর নাম দ্রুত বাদ দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনাটি সামনে আসতেই ভোট ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে উঠছে স্বচ্ছতা ও সতর্কতার প্রশ্ন।
আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায় ভোটের আগে সামনে এল এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। যিনি বিজেপির প্রার্থী, তিনিই আবার প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে তালিকাভুক্ত এই বিরল ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চর্চা।
ফালাকাটার বিদায়ী বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন পেশায় একজন শিক্ষক, স্থানীয় দেওগাঁও হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক। এবারও তাঁকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি, ১৬ মার্চ প্রকাশিত তালিকায় তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তারও আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল।
সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন প্রার্থী হওয়ার পরও তাঁকে পোলিং প্রশিক্ষণে ডাকা হতে থাকে। এমনকি সেই প্রশিক্ষণে উপস্থিত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে শোকজ নোটিসও জারি করা হয়।
এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে একজন প্রার্থী কীভাবে একই সঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্বে থাকতে পারেন? যদিও প্রশাসনের দাবি, এটি সম্পূর্ণরূপে একটি পদ্ধতিগত ত্রুটি। ইতিমধ্যেই বিষয়টি সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।ভোটের আগে এই ধরনের গাফিলতি স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।
তবে দীপক বর্মনের দাবি, শিক্ষক হিসেবে তাঁকে ডিউটিতে রাখা হয়েছিল, বিষয়টি তিনি আগেই নির্বাচন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এই সমস্যা দ্রুত মিটে যাবে বলেই আশা।
অন্যদিকে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের বক্তব্য, পুরো বিষয়টি একটি “সিস্টেম জেনারেটেড” ত্রুটি। নাম ধরে ধরে যাচাই করা হয় না বলেই এমন বিভ্রাট ঘটেছে। ইতিমধ্যেই প্রার্থীর নাম সেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।ভোটের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, তার মধ্যেই এই ধরনের প্রশাসনিক গাফিলতি প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি ও স্বচ্ছতা নিয়ে। উত্তরবঙ্গের এই কেন্দ্রে এখন তাই ভোটের উত্তাপের পাশাপাশি বাড়ছে বিতর্কের
BJP
#Falakata
#Alipurduar
West Bengal assembly election 202


